Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খড়গ্রামে অবৈধ আধার কার্ড তৈরির অভিযোগ, পাকড়াও আরও দু’জন

খড়গ্রাম থানার নগর গ্রামে অবৈধভাবে আধার কার্ড তৈরির ঘটনায় আরও দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হল। ধৃতদের নাম মোশারফ মোমিন ও মহম্মদ সুমন মোমিন।

খড়গ্রামে অবৈধ আধার কার্ড তৈরির অভিযোগ, পাকড়াও আরও দু’জন
  • ২০ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: খড়গ্রাম থানার নগর গ্রামে অবৈধভাবে আধার কার্ড তৈরির ঘটনায় আরও দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হল। ধৃতদের নাম মোশারফ মোমিন ও মহম্মদ সুমন মোমিন। এছাড়া ওই ঘটনায় মেহেদি হাসানকে আগেই গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। শনিবার ধৃত তিনজনকেই কান্দি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক সুমনকে ১৪দিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। বাকি দু’জনকে ন’দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহি সড়কের পাশে নগর গ্রামে দোকান খুলে তারা অবৈধভাবে আধার কার্ড তৈরি করত। এমনকী দোকানের দেওয়ালে আধার কার্ড তৈরির বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছিল। সেই বিজ্ঞাপন দেখে প্রায়শই দোকানে ভিড় জমত। কোনও কোনওদিন দোকানে লাইনও পড়ে যেত। শুক্রবার দুপুরে খড়গ্রাম থানার পুলিস ওই দোকানে হানা দিয়ে তল্লাশি চালায়। সেই সময় মেহেদিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাতের দিকে আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, দোকানে হানা দিয়ে আধার কার্ড তৈরির কম্পিউটার সহ অন্যান্য যন্ত্রাংশ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এছাড়াও বহু অবৈধ নথিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আধার কার্ড তৈরির জন্য যেসব নথির প্রয়োজন ছিল সেগুলিও ওই যুবকরা তৈরি করে দিত। জাল নথি তৈরির সরঞ্জামও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। প্রতিটি আধার কার্ডের জন্য ৫০০-১০০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হতো। ধৃত সুমন দোকানের কর্মী ছিল। খদ্দেরদের ভিতরে ঢোকানো থেকে কাগজ কাটা বা জল এনে দেওয়ার কাজ করত। তবে বাকি দু’জন আধার পোর্টালে ঢোকার জন্য অন্যের আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মেহেদি হাসান প্রভাবশালী পরিবারের। তার একাধিক গাড়ি ও বাইক রয়েছে। এমনকী এক প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধির সে আত্মীয়। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ