সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ঢুকছে মালদহের দুষ্কৃতীরা। অপরাধ সংঘটিত করে ফিরেও যাচ্ছে! শুক্রবার রাতে হরিরামপুর থেকে দুই দুষ্কৃতী ধরা পড়তেই চিন্তিত পুলিস প্রশাসন। ধৃতের নাম মাসুদ আলমগীর, দিলবর হোসেন। দু’জনের বাড়ি মালদহ জেলার গাজোল থানা এলাকায়।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে হরিরামপুর চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় পাঁচজনের দুষ্কৃতী দল টোটো নিয়ে এলাকায় আসে। পুলিসের সন্দেহ হওয়ায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তিনজন পালিয়ে যায়। টোটো চালক ও এক যুবককে পুলিস গ্রেপ্তার করে। চুরির উদ্দেশ্যেই দলটি হরিরামপুরে আসে বলে জানিয়েছে পুলিস। শনিবার ধৃতদের গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তুলে তিনদিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিস।
ধৃতরা এর আগে জেলার কোথায় কোথায় দুষ্কর্ম করেছে, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত আলমগীর কয়েকদিন আগে দিনের বেলায় দোকান থেকে একটি ল্যাপটপ চুরি করে।
গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিস আধিকারিক দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, মালদহের গাজোল থেকে চুরির উদ্দেশে জেলায় এসে হরিরামপুর পুলিসের হাতে ধরা পড়েছে দু’জন।
গত ১২ জুন হরিরামপুরের পুণ্ডরী এলাকায় এক ব্যবসায়ীর দোকান থেকে একটি ল্যাপটপ এবং হরিরামপুরে একটি বাইক চুরির ঘটনা ঘটে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ধৃতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করে পুলিস। শুক্রবার চুরির আগেই গাজোলের দুষ্কৃতী গ্যাংয়ের দু’জনকে ধরে পুলিস।
গত ২০ জুন গাজোল এলাকার ছয় দুষ্কৃতী ৩০ লক্ষ টাকার গাড়িতে চেপে ডাকাতির জন্য এসে হরিরামপুরের পুলিসের হাতে ধরা পড়ে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা এখন মালদহ জেলার দুষ্কৃতীদের সফ্ট টার্গেট হওয়ায় চিন্তা বাড়ছে পুলিসের। গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিস আধিকারিক অবশ্য বলেন, প্রায় মালদহ থেকে দুষ্কৃতীরা জেলায় ঢুকছে। রাতে জেলাজুড়ে জাতীয় ও রাজ্য সড়কে নাকা তল্লাশি চালাচ্ছি। জেলার সীমানায় নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।