সংবাদদাতা, সিউড়ি: স্যার সকালে তাড়াতাড়ি পড়াবেন বলে কোচিং সেন্টারে ডেকে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল তারই দুই সহপাঠী কিশোরের বিরুদ্ধে। শুক্রবার সিউড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে নির্যাতিতার পরিবার। দুই অভিযুক্তকে পুলিশ শনিবার সিউড়ি জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে পেশ করলে বিচারক ১৪দিন হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিন নাবালিকার মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অষ্টম শ্রেণির ওই নাবালিকা একটি কোচিং সেন্টারে পড়ত। একই ব্যাচে ওই দুই অভিযুক্তও পড়াশোনা করত। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার কোচিংয়ে সকাল ৮টা থেকে ক্লাস ছিল। যদিও অভিযুক্ত দুই কিশোর ওই নাবালিকাকে ফোনে জানায়, স্যার ৭টার মধ্যে কোচিংয়ে যেতে বলেছেন। সেইমতো সাতসকালে নাবালিকা কোচিংয়ে যায়। ওই দুই কিশোর আগে থেকেই কোচিং সেন্টারের চাবি জোগাড় করে রেখেছিল। ঘরের মধ্যেই দুই সহপাঠী ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। নাবালিকা কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে পরিবারের লোকজনকে ঘটনার কথা জানায়। তারপরই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতার পরিবার।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে দু’জনকে আটক করে সিউড়ি থানার পুলিশ। এদিনই তাদের সিউড়ি জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে পেশ করা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসো আইনের ৩ এবং ৪ নম্বর ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া গণধর্ষণের মামলাও রুজু করা হয়েছে। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, নাবালিকার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হবে। মামলার সরকারি আইনজীবী অনিন্দ্য সিংহ বলেন, কোচিং সেন্টারের মধ্যেই ধর্ষণের অভিযোগ জানিয়েছেন নির্যাতিতার মা। সেইমতো ধৃত দু’জনকে ১৪দিন হোমে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, ঘটনার অভিযোগ পাওয়ামাত্রই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।