


ঢাকা, ১৮ মার্চ: হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সহ বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে হত্যা ও লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছে। বিষয়টি ট্রাম্প প্রশাসনের মাথাব্যথার অন্যতম কারণ। এমনটাই গতকাল, সোমবার সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন আমেরিকার ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স তুলসী গাবার্ড। মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানের মতে, ইসলামিক খিলাফৎ নীতি এবং শাসন চালু করা। এটাই ইসলামিক সন্ত্রাসবাদীদের বিভিন্ন গোষ্ঠীর চিন্তাভাবনা ও লক্ষ্য।
আর তার এই মন্তব্যে ভালো চোখে দেখেনি বাংলাদেশের বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকার। বিবৃতি জারি করে ইউনুস সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ‘বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইসলাম চর্চার জন্য সুপরিচিত এবং চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অসাধারণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। তুলসী গাবার্ডের মন্তব্যে পুরো বাংলাদেশকে অন্যায় ও অতিরঞ্জিত ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশও চরমপন্থার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। তবে আমেরিকা-সহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর সহযোগিতায় আইনশৃঙ্খলা, সামাজিক সংস্কার এবং অন্য সন্ত্রাসবিরোধী তৎপরতার মাধ্যমে ওই চ্যালেঞ্জের ধারাবাহিক ভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে এবং হয়েছে।’
তুলসী গাবার্ডকে পাল্টা দিতে গিয়ে বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার জানিয়েছে, ‘রাজনৈতিক নেতাদের এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের উচিত সংবেদনশীল বিষয়ে কোনও কিছু বলার আগে সেই ব্যাপারে সম্যক ধারণা রাখা। ভীতি ছড়ানো ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা উসকে দেওয়ার মতো কোনও মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকাও তাঁদের দায়িত্ব।’