মৃগনয়নীর সম্প্রসারণ
মৃগনয়নীর সম্প্রসারণ
•মধ্যপ্রদেশ সরকারের বিপণন কেন্দ্র ‘মৃগনয়নী’ মধ্যপ্রদেশ ক্ষুদ্র শিল্প নিগমের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। ১৯৮৬ সালে কলকাতার দক্ষিণাপনে এরা বিপণন শুরু করে। এটি হস্তশিল্প ও হস্তচালিত তাঁতবস্ত্রের এমন এক বিপণন কেন্দ্র, যা আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক। বর্তমান ডিজিটাল যুগে প্রতিটি ঘরে পৌঁছে যাওয়ার জন্য ডিজিটাল মাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য। এই প্রয়োজনীয়তা পূরণের লক্ষ্যে এই প্রতিষ্ঠান ‘mrignayanikolkata.com’ পোর্টালের মাধ্যমে ডিজিটাল পরিসরে কার্যক্রম সম্প্রসারিত করছে। ‘মৃগনয়নী’র উদ্দেশ্য হল মধ্যপ্রদেশের শিল্পকলাকে বাংলার প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়া এবং একই সঙ্গে বাংলার সমৃদ্ধ হস্তচালিত তাঁতশিল্পের জন্য দেশ ও বিদেশে একটি উপযুক্ত মঞ্চ গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্যপূরণে এই পোর্টাল এবার অগ্রণী ভূমিকা নেবে।
বেনারসি টেক্সটোরিয়ামে প্রি-পুজো সেল
•পুজোর শপিং শুরু করেছে বাঙালি। নতুন শাড়ি চাই। নিজের জন্য এবং উপহারে দেওয়ার নানা ধরনের শাড়ি প্রয়োজন। কলকাতার অন্যতম নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান বেনারসি টেক্সটোরিয়াম। সেখানে শুরু হয়েছে প্রি-পুজো সেল। কম দামে পাবেন বিভিন্ন মানের শাড়ি। বেঙ্গালুরু কোষা সিল্ক ৯৫০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকায়। বেনারসের চান্দেরির দাম এখন ১৩৫০-১৬৫০ টাকা। পিওর তসর পাবেন ২৫০০-৬৫০০ টাকায়। বাংলাদেশি পিওর কটন ঢাকাই ১৬৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৩২০০ টাকার মধ্যে পাবেন। সুতির গাদোয়াল পাবেন ৩২০০-৩৫০০ টাকায়। কটন ভেঙ্কটগিরি পাবেন ৮৫০ টাকায়। মাসরু সিল্ক পাবেন ৩৫০০-৫৫০০ টাকায়। রাজকোট সিল্ক পাবেন ৭৮০০-১২০০০ টাকার মধ্যে। সিল্ক রংকাট পাবেন ৬৫০০-২৩০০০ টাকার মধ্যে। মাহেশ্বরী সিল্ক পাবেন ৪৮০০ টাকায়। পিওর টিস্যু পাবেন ২৫০০-৬৫০০ টাকায়। মধুবনী সিল্ক পাবেন ১৮৫০-২৫০০ টাকায়। প্রতি রবিবার শো-রুম খোলা থাকবে।
সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস-এ হর্ষবর্ধন রানে
পুরুষদের গয়নায় আধুনিকতার নতুন মাত্রা যোগ করল সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের পুরুষদের গয়নার ব্র্যান্ড ‘আহাম’। তাদের নতুন টাইটানিয়াম, সোনা ও হিরের সংগ্রহ ‘টিআই২২’-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে অভিনেতা হর্ষবর্ধন রানেকে ঘোষণা করা হয়েছে। মুম্বইয়ের ওয়ানএইট কমিউন, জুহুতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সংগ্রহের উদ্বোধন হয়। অনুষ্ঠানে টাইটানিয়াম ব্রেসলেট ও পেনডেন্টে নজর কাড়েন অভিনেতা। হাল ফ্যাশনের এই সংগ্রহে রয়েছে চেইন, পেনডেন্ট, কানের দুল, ব্রেসলেট, আংটি। টাইটানিয়ামের স্থায়িত্ব, আধুনিক নকশা ও সকল ত্বকের উপযোগিতা মিলিয়ে এই কালেকশন অনন্য বলে দাবি সংস্থার। এই প্রসঙ্গে হর্ষবর্ধন বলেন, ‘আমার কাছে শক্তি মানে উদ্ধতভাবে কথা বলা নয়, বরং নিজেকে জানা, নিজের বিশ্বাসের প্রতি সৎ থাকা।’ ‘সাহসী হও, শক্তিশালী হও’— এই ভাবনাতেই তৈরি এই সংগ্রহ পুরুষদের কাছে কদর পাবে বলে আশা সংস্থার।
পুজো ও বিয়ের সাজে গৌরাঙ্গ-র ব্লাউজ
ব্লাউজ ও কুর্তির দুনিয়ায় কলকাতার বুকে ‘গৌরাঙ্গ’ প্রাচীন ও সুপরিচিত। ৭৫ বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠান নিজস্ব ফ্যাশন ডিজাইনারদের দিয়ে আধুনিক ও মনকাড়া নকশার বিভিন্ন ব্লাউজ তৈরি করে চলেছে। গড়িয়া, শ্যামবাজার ও দমদমে মোট চারটি শোরুম রয়েছে তাদের। সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন ফ্যাশন উপদেষ্টা গৌরাঙ্গ পাল। বর্তমানে ব্যবসার প্রসারণ ঘটিয়েছেন তাঁর পুত্র গৌরীশঙ্কর পাল। বিভিন্ন নেক ও ব্যাক ডিজাইনে পুজোর ব্লাউজের সংগ্রহ পাবেন এখানে। দাম শুরু ৪০০ টাকা থেকে। একটু প্রিমিয়াম রেঞ্জ খুঁজলেও এখানে মিলবে ৬০০-৭০০ টাকায়। প্রায় ১৫০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত রেঞ্জে এক বিপুল ব্লাউজের সম্ভার এখানে পাবেন। বিয়ের মরশুমে জারদৌসি, কাটদানা বা জরি-সুতোর কাজে বিভিন্ন ব্লাউজ পাবেন। এই প্রসঙ্গে কর্ণধার গৌরীশঙ্কর পাল বলেন, ‘গৌরাঙ্গ ব্র্যান্ডের প্রতি ক্রেতাদের বিশ্বাস, আস্থা আমাদের চলার পথের প্রেরণা। ব্লাউজের দুনিয়ায় বরাবর আমরা সেরা পরিষেবা দিয়ে থাকি।’