রোটারি ক্লাব অব কলকাতা মেট্রোপলিটনের নতুন কমিটি
রোটারি ক্লাব অব কলকাতা মেট্রোপলিটনের নতুন কমিটি
রোটারি ক্লাব অব কলকাতা মেট্রোপলিটন, উদযাপন করল তাদের ৪১তম ‘ইন্সটলেশন সেরিমনি’। এই উপলক্ষ্যে কলকাতার নামজাদা পাঁচতারা হোটেলে উপস্থিত হয়েছিলেন ক্লাব-সদস্য সহ নানা বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। এদিন ক্লাবের নতুন কমিটির হাতে আগামী দিনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়। বিগত কমিটির ক্লাব প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় নতুন কমিটির ক্লাব প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান রুনঝুন গুপ্তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। রুনঝুন গুপ্তা ক্লাবের নতুন কমিটি সদস্যদের সঙ্গে সকলের পরিচয় করিয়ে দেন। আগামী দিনে এই ক্লাবের কর্মসূচির কী রূপরেখা হবে তাও তুলে ধরেন। ‘বিগার, বোল্ডার, বেটার’ এই দৃষ্টিভঙ্গিতেই জোর দেন তিনি। ক্লাবের সকল সদস্যকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বানও জানান। তিনি বলেন, ‘সকলে মিলে কাজ শুরু করলে শুধু অগ্রগতি নয়,সাফল্যও আসবে।’ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী জয়া শীল ঘোষ। এদিনের অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রদান করা হয় দীর্ঘদিনের ক্লাব সদস্য মৈত্রেয়ী রায় ও রাজ কুমার পোদ্দারকে। ক্লাবের প্রতি তাঁদের দায়িত্বশীলতার স্মারক হিসেবেই এল এই স্বীকৃতি। রোটারি ক্লাবের সমাজসেবামূলক কাজে অন্যতম দাতা ডাঃ নেভাতিয়াকেও সংবর্ধিত করা হয়। প্রয়াত আর এক দাতা সোহানরাজ সিংভিকে স্মরণ করে তাঁর কর্মকাণ্ডের কথাও তুলে ধরা হয়। শেষ পর্বে ক্লাবের ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর তাপস ভট্টাচার্য বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন গৌরাং জালান।
তাপস কাঁড়ার
সাহাবাবুর আদি ঢাকেশ্বরীতে বিয়ের শাড়ি রকমারি
সাহাবাবুর আদি ঢাকেশ্বরী শাড়ির দুনিয়ায় বড়ো নাম। কলেজ স্ট্রিটের এই দোকানের পরিচিতি সারা দেশে তো আছেই, এমনকি বিদেশেও রয়েছে। এবছর জ্যৈষ্ঠ মাস মলমাস হওয়ায় কোনো শুভ অনুষ্ঠান হয়নি। কিন্তু আষাঢ় থেকে আবার বিয়ের লগ্ন শুরু হয়ে গিয়েছে। তাই রথের আগেই সাহাবাবুর আদি ঢাকেশ্বরী নিয়ে এসেছে বিয়ের শাড়ির বিপুল সম্ভার। তার মধ্যে প্রধান অবশ্যই বেনারসি। অনেকেই বেনারসির নাম শুনলে ভাবেন প্রচুর দাম। দশ হাজার টাকার নীচে তো এই শাড়ি পাওয়াই যায় না। এই প্রতিষ্ঠানে কিন্তু তিন-চার হাজার টাকা থেকেই বেনারসি পাবেন। তাঁর দোকানে বেনারসির এমন সব নকশা রয়েছে যা কনের আত্মীয়দের জন্যও আদর্শ। যাঁরা মাশরু কাতান বা মাশরু বেনারসি পরতে চান তাঁদের কাস্টমাইজ করে দেওয়া হয়। অর্থাৎ শাড়িটা পছন্দ করে দিলে তা কনের ইচ্ছেমতো নকশায় বুনে দেওয়া হয়। এযুগের কিছু কনে আবার বিয়েতে বেনারসি পরতে চান না। তাঁদের জন্য আছে টিস্যু কাঞ্জিভরম। রিসেপশনে যদি কনে বা কনের বোন অথবা অন্য কেউ লেহেঙ্গা পরতে চান, তাহলে তাও পাওয়া যাবে এই দোকানে। বিয়ের অনুষ্ঠানের বড়ো অঙ্গ নমস্কারি। সেই শাড়িও এখানে অত্যন্ত কম দামে পাবেন। ১০০০ টাকার মধ্যে ভালো শাড়ি পাওয়া যাবে। সাহাবাবুর আদি ঢাকেশ্বরীর মূল মন্ত্রই সাধ্যের মধ্যে সাধ পুরণ। সেই লক্ষ্যে তিনি ব্রতী। ফলে এখানে সব ধরনের গ্রাহকের জন্যই শাড়ি রয়েছে। বিয়ের পাঞ্জাবি ও ধুতিতেও কাস্টমাইজ করা কাজ চাইলে তাও করে দেওয়া হবে। বর, কনের আত্মীয়দের জন্যও পাবেন নানা রকম শাড়ি, পাঞ্জাবির সম্ভার। আগস্টে এই দোকানের জন্মদিন। ৫-১০ আগস্ট পর্যন্ত এখানে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।