রিলায়েন্স ডিজিটাল এর নতুন স্টোর
রিলায়েন্স ডিজিটাল এর নতুন স্টোর
সম্প্রতি রিলায়েন্স ডিজিটালের নতুন স্টোর উদ্বোধন হল রামপুরহাটের ভাড়শালাপাড়ায়। বিশিষ্ট অতিথি ইশা শাহর উপস্থিতিতে উদ্বোধন করা হয় স্টোরটি। এই স্টোরে সর্বাধুনিক ইলেকট্রনিক্স পণ্য পাওয়া যাবে সেরা দামে, এমনই দাবি সংস্থার। দ্রুততম ডেলিভারি ও ইনস্টলেশনের সুবিধাও থাকবে। ক্রেতারা তাঁদের পছন্দের গ্যাজেট হাতে পাবেন কোনও বিলম্ব ছাড়াই। রিলায়েন্স ডিজিটাল ৩০০-রও বেশি ব্র্যান্ডের ৫,০০০-এরও বেশি পণ্য উপস্থাপন করে। এর মধ্যে রয়েছে সর্বাধুনিক স্মার্টফোন, স্মার্ট টিভি, ওয়াশিং মেশিন, রেফ্রিজারেটর, হোম থিয়েটার, ডিজিটাল ক্যামেরা, ল্যাপটপ, অ্যাক্সেসরিজ ও অন্যান্য ছোট ইলেকট্রনিক জিনিসপত্র সহ সম্পূর্ণ হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও কনজিউমার ইলেকট্রনিক্সের নানারকম সামগ্রী।
প্রদর্শনীর আয়োজন অ্যাকাডেমিতে
• ফুলের পাপড়ি ও ছাই। যার ইংরেজি তর্জমা হয় ‘পেটালস অ্যান্ড অ্যাশ’। ঠিক এই শিরোনামেই শিল্পী দেবারতি চক্রবর্তীর একক প্রদর্শনী শুরু হতে চলেছে অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসের সাউথ গ্যালারিতে। প্রদর্শনী চলবে আগামী ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত। সৌন্দর্য ও ক্ষয়ের মধ্যের ভারসাম্য রং ও তুলির খেলায় ফুটিয়ে তুলেছেন শিল্পী। মানুষের আবেগ, বিশ্বাস ও ভাবনার নানা স্তর ফুটে উঠেছে ইজেলে। প্রদর্শনীর উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন শিল্প-ইতিহাসবিদ প্রশান্ত দাঁ, শিল্পী দিলীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাদল পাল, দেবাশিস মল্লিক চৌধুরী ও সুজিত কুমার ঘোষ। প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে প্রদর্শনী।
সল্টলেকে আর্ট ফেয়ার
সল্টলেক সেক্টর ১-এ আয়োজিত হল অ্যাফোর্ডেবল আর্ট ফেয়ার। একশোরও বেশি সংখ্যক শিল্পীর কাজ প্রদর্শিত হয়েছিল এই আর্ট ফেয়ারে। মোটামুটি ২০০০ কাজের প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। এবং এইসব কাজ কেনারও সুযোগ ছিল। বিভিন্ন ধরনের কাজ ছিল এই প্রদর্শনীতে। আঁকা, ফটোগ্রাফ, ভাস্কর্য সবই স্থান পেয়েছিল গ্যালারিতে। লাইভ পোর্ট্রেট আঁকানোরও সুযোগ ছিল। দর্শকরা চাইলে নিজেদের ছবি আঁকিয়ে নিতে পারতেন শিল্পীদের কাছে। আরও ছিল পটারি সেকশন। এই বিভাগটিও খুবই উল্লেখযোগ্য। এখানে বিভিন্ন ধরনের উজ্জ্বল ফুলদানি, টব, চীনে মাটির প্লেট কাপ ইত্যাদি সাজানো হয়েছিল। ক্রেতারা ইচ্ছে মতো তা নেড়েচেড়ে দেখতে ও কিনতে পারতেন। প্রদর্শনীতে কাজের দাম শুরু হয় ৫০০ টাকা থেকে। আয়োজকদের কথায়, অল্প দামে ভালো মানের জিনিস সাজানো হয়েছে যাতে তা সবাই সংগ্রহ করতে পারেন। সত্যব্রত কর্মকার, মোনালিসা সরকার, নূর আলি, ইন্দ্রজিৎ নারায়ণ, মিন্টু মল্লিক, দীপ নারায়ণ পাল, অদিতি চক্রবর্তী প্রমুখ এই শিল্পমেলায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।