প্রেগা নিউজ-এর মামা’স ডে আউট এবার মুম্বইয়ে
প্রেগা নিউজ-এর মামা’স ডে আউট এবার মুম্বইয়ে
• প্রেগন্যান্সি ডিটেকশন কিট প্রস্তুতকারী সংস্থা প্রেগা নিউজ সম্প্রতি তাদের মামা’স ডে আউট-এর তৃতীয় সংস্করণ আয়োজন করে। সেই উপলক্ষ্যে মুম্বইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড সেন্টারে উপস্থিত ছিলেন অনেক মা ও মম ইনফ্লুয়েন্সাররা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপরা। অভিনেত্রী নিজেই সম্প্রতি মা হয়েছেন। তিনি এই সমাবেশে তাঁর মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা ও অকপট ভাবনাগুলি তুলে ধরেন। নানারকম ইন্টারেক্টিভ প্রোডাক্ট এক্সপিরিয়েন্স জোন ও বিভিন্ন খেলায় অংশ নিয়েছিলেন মায়েরা। এই নিয়ে তৃতীয়বার এমন সমাবেশের আয়োজন করল প্রেগা নিউজ। প্রথমবার এই আয়োজন হয় মুম্বইয়ে, সোনম কাপুরের উপস্থিতিতে। দ্বিতীয় বছর বেঙ্গালুরুতে উপস্থিত ছিলেন কাজল আগরওয়াল। গত দু’বছরই শতাধিক ইনফ্লুয়েন্সার হাজির হয়েছিলেন প্রেগা নিউজ-এর এই উদ্যোগে। প্রেগা নিউজ শুধু প্রেগন্যান্সি কিট-ই প্রস্তুত করে না, বরং মাতৃত্বের পথে একজন যত্নশীল সঙ্গী হিসেবে প্রসূতি ও মায়েদের পাশে থাকে। প্রেগন্যান্সির পূর্বে যেমন প্রেগাহোপ লুব্রিক্যান্ট ও ওভানিউজ ওভুলেশন কিট এদের অন্যতম পণ্য, তেমনই প্রেগনান্সি চলাকালীন প্রেগা নিউজ অ্যাডভান্স এবং ভ্যালু প্যাক পাবেন। মা হওয়ার পরেও প্রেগা নিউজের প্রেগাহ্যাপি স্ট্রেচ মার্ক স্কিন কেয়ার বডি ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। এই সমাবেশ প্রসঙ্গে ম্যানকাইন্ড কনজিউমার প্রোডাক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা সেলস ও মার্কেটিংয়ের প্রধান জয় চট্টোপাধ্যায় জানান, ‘প্রেগা নিউজ বিশ্বাস করে মাতৃত্বের যে সফর, তার প্রতিটি ধাপে সমান যত্ন ও গুরুত্ব প্রয়োজন। মামা’স ডে আউট-এর মাধ্যমে আমরা প্রত্যেক মায়ের কাছে সেই বার্তাই পৌঁছে দিতে চাই।’ পরিণীতিও সমাবেশে নিজের মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘অন্যদের যত্ন নিতে মায়েরা এত ব্যস্ত থাকেন যে নিজেদের যত্ন নিতে প্রায়ই ভুলে যান। মাতৃত্বেরও যে উদ্যাপন প্রয়োজন, মামা’স ডে আউট সে কথাই মনে করিয়ে দেয়।’
ক্রাঞ্চ কাপ
সকাল সকাল হুড়োহুড়ি। সবদিক সামলে বেরতেই দেরি হল। মাঝখান থেকে নিজের খাবারটুকুই খাওয়া হল না সৌমিলির। এখন খেতে বসলেই ট্রেন মিস করবে। এদিকে অফিস পৌঁছতে প্রায় ঘণ্টা খানেক লাগবে। অতক্ষণ না খেয়ে থাকলেও সমস্যা! তখনই মনে পড়ল, আরে ক্রাঞ্চ কাপটা আছে তো! দ্রুত হাতে দুধ ও কর্নফ্লেক্স ক্রাঞ্চ কাপে ভরে নিল সৌমিলি। ট্রেনে উঠে সময় সুযোগ বুঝে খেয়ে নেবে।
এই গল্প একা সৌমিলির নয়। আধুনিক প্রজন্মের অনেকেই রাস্তাঘাটে বেরনোর সময় ক্রাঞ্চ কাপ ব্যাগে রাখছেন। বিশেষ করে যাঁরা ডায়েট মেনে চলেন, তাঁদের জন্য এই ক্রাঞ্চ কাপ খুব উপযোগী।
কী এই কাপ?
এককথায় এটি একটি পোর্টেবল কাপ। কিন্তু সে তো আগেও বাজার জুড়ে ছিল। কী এমন নতুন আছে এই ক্রাঞ্চ কাপে? আসা যাক সেই তথ্যেই। এই কাপ এমনভাবে তৈরি যার মাধ্যমে বাটি ও চামচ ছাড়াই খেয়ে নিতে পারবেন সকালের সিরিয়াল! দুধ-মুজলি, দুধ-ওটস, দুধ কর্নফ্লেক্স যা চান! চাইলে যে কোনো ফলের শেকও খেতে পারেন। এটি এমনভাবে তৈরি যেখানে তরল এবং সিরিয়াল আলাদা আলাদা খাপে থাকে। যার ফলে সিরিয়াল মুচমুচে থাকে। তরল খাবারটির সঙ্গে মিশে যায় না। ফলে সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে দুপুরে খেলেও একইরকম মুচমুচে থাকবে সিরিয়াল। কিন্তু পান করার সময় দুধ বা দইয়ের সঙ্গে মিশে মুখে এসে পড়ে। অনেকেই এই ক্রাঞ্চ কাপে দই ও ফলের কুচি আলাদা করে নিয়ে যান। খাওয়ার সময় কাপের প্রযুক্তির সাহায্যে দইয়ের সঙ্গে মিশে যায় ফলের কুচিগুলি। তার জন্য আলাদা করে কোনো চামচ বা বাটির প্রয়োজন পড়ে না।
কারা ব্যবহার করেন?
অনেকক্ষণ বাড়ির বাইরে থাকছেন এমন মানুষদের জন্য এই কাপ আদর্শ। বাইরের জাংক ফুড এড়িয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে চান অনেকেই। তারাও বাড়ি থেকে খাবরে ভরে ব্যাগে রেখে দিন ক্রাঞ্চ কাপ। খেলোয়াড়, ডায়েটে আছেন এমন ব্যক্তি বা বাইরের খাবার এড়িয়ে বাড়ির খাবারে ভরসা করেন এমন যে কেউ এই কাপ সহজেই ব্যবহার করতে পারেন।
কেন ব্যবহার করবেন?
• রাস্তাঘাটে খাবার খাওয়ার জন্য বাটি, চামচের ঝক্কির প্রয়োজন নেই।
• গরমে সিরিয়াল দুধ বা দইয়ের সঙ্গে মিশে গেলে দীর্ঘক্ষণ ব্যাগে পড়ে থাকলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ক্রাঞ্চ কাপে যেহেতু দুটোর জন্য আলাদা খাপ, তাই নষ্ট হওয়ার ভয় নেই।
কত দাম?
নানা মাপের কাপ পাওয়া যায়। মাপের উপর দাম নির্ভর করে। ৩০০-১০০০ টাকার মধ্যেই মিলবে ক্রাঞ্চ কাপ।
মনীষা মুখোপাধ্যায়