Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / চতুষ্পর্ণী

টুকরো খবর

শহরের দৈনন্দিন জীবন এবং গভীর সাংস্কৃতিক চেতনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে, এশিয়ান পেইন্টস এবং স্টার্ট ইন্ডিয়া শুরু করেছে ‘স্টার্ট কলকাতা ফেস্টিভ্যাল ২০২৫-২৬’।

টুকরো খবর
  • ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

এশিয়ান পেইন্টস-এর কালার করিডোর

Advertisement

 শহরের দৈনন্দিন জীবন এবং গভীর সাংস্কৃতিক চেতনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে, এশিয়ান পেইন্টস এবং স্টার্ট ইন্ডিয়া শুরু করেছে ‘স্টার্ট কলকাতা ফেস্টিভ্যাল ২০২৫-২৬’। এই উপলক্ষ্যে বালিগঞ্জে কালার করিডোর নামে একটি আর্ট টানেলের উপস্থাপনা করা হয়। এটি একটি ম্যুরাল যা প্রায় ৮,২০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। রং শুধুই একটি পটভূমি নয়, বরং একটি জীবন্ত, স্পন্দনশীল উপস্থিতি। বালিগঞ্জের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে ওঠার জন্য ডিজাইন করা এই ম্যুরালটি কলকাতার বহুস্তরীয় পরিচয়কে প্রতিফলিত করে। যেখানে শিল্প, কথোপকথন এবং সম্প্রদায় নির্বিঘ্নে একত্রিত হয়। এশিয়ান পেইন্টস-এর সহায়তায় আয়োজিত প্রথম স্টার্ট কলকাতা ফেস্টিভ্যালের অংশ। এই প্রকল্পটি পাবলিক আর্ট ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে বাস্তবায়িত করা হচ্ছে। শহরের দীর্ঘদিনের আড্ডা ও রোয়াক সংস্কৃতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে, এই উৎসবটির আয়োজন করেছে এশিয়ান পেইন্টস। আয়োজকদের বক্তব্য, ‘এই ধরনের আড্ডা, যা এক সময় কলকাতার প্রাণ ছিল, ক্রমশ উঠে যাচ্ছে। তার মূল কারণ জায়গার অভাব। এই আড্ডা যাতে আবারও ফিরে আসে সেই কারণেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ কালার করিডোর রং, আলো এবং গতিতে পরিপূর্ণ একটি প্রাণবন্ত, হাঁটার পথ। সায়ন মুখোপাধ্যায়ের তৈরি এই কালার করিডোরটি আকর্ষণীয়ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। এটি মানুষকে তাঁদের চলার একটু থেমে মাধুর্য অনুভব করতে আমন্ত্রণ জানায়।

‘স্টেপ ইন’-এ শুরু স্বয়ং পকানা

• হাইওয়ে যাত্রীদের জন্য এক অভিনব অভিজ্ঞতা উপহার নিয়ে এল ‘স্টেপ ইন ধাবা অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’। আর পাঁচটি ধাবা ও রেস্তরাঁর মতোই এটি, তবে অভিনবত্ব হল এখানকার ‘স্বয়ং পকানা’ বিভাগ। অর্থাৎ নিজে রান্না করে খাওয়ার সুবিধা। ভাবছেন, সে আবার কী? রেস্তরাঁয় গিয়ে নিজের খাবার আবার নিজেকে বানিয়ে নিতে হবে নাকি? এখানেই এই রেস্তরাঁর বিশেষত্ব। হুগলির দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের উপর অবস্থিত এই ধাবা রেস্তরাঁর এটাই মজার বিষয়! সম্প্রতি এই বিভাগের উদ্বোধন হল। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টরা। স্টেপ ইন ধাবা এবং রেস্তরাঁর সহ প্রতিষ্ঠাতা শাঁওলি মুখোপাধ্যায় ও দেবরূপ দত্তর মতে, এখানে পরিবার, পর্যটক ও ট্রাকচালক সবাই স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে ভালো খাবার উপভোগ করতে পারবেন। রেস্তরাঁর শেফরাও সাহায্য করবেন অতিথিদের। সব মিলিয়ে এক অন্য রকমের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পারবেন এখানে উপস্থিত অতিথিরা। সপরিবার যেতে পারেন এই রেস্তরাঁয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ