নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: তিস্তাপাড়ের পরিবেশরক্ষায় পিকনিকে নিষিদ্ধ হল থার্মোকলের থালা, প্লাস্টিকের গ্লাস। বাজানো যাবে না ডিজে বক্স। এ ব্যাপারে তিস্তার এক নম্বর স্পারে ফ্লেক্স টাঙিয়ে দিল জলপাইগুড়ি জেলা পুলিস। কোনও পিকনিকের দলকে নিয়ম ভাঙতে দেখলেই জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানা কিংবা জেলা পুলিসের কন্ট্রোল রুমে ফোন করে জানাতে বলা হয়েছে। এজন্য দিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর। এর আগে প্রশাসনের আধিকারিকরা তিস্তাপাড়ে সরেজমিনে হাজির হয়ে দূষণ নিয়ে সতর্ক করেন সেখানে পিকনিক করতে আসা মানুষজনকে। প্রশাসনের পাশাপাশি পুলিসও এবার তিস্তাপাড়ের দূষণ রুখতে আসরে নামল।
Advertisement
এদিকে, মহকুমা শাসকের নির্দেশে তিস্তাপাড়ে পিকনিক করতে আসা মানুষজনের জন্য স্থানীয় খড়িয়া পঞ্চায়েত অস্থায়ী শৌচালয় তৈরি করলেও, তা প্রয়োজনের তুলনায় কম বলে অভিযোগ উঠেছে। একটি স্পারে একটিই শৌচালয় বানানো হয়েছে। পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা শৌচালয় না হওয়ায় দেখা দিয়েছে বিতর্ক। বৃহস্পতিবার তিস্তাপাড়ে গিয়ে দেখা যায়, তিস্তার প্রতিটি স্পারে টিন দিয়ে ঘিরে একটি করেই অস্থায়ী শৌচালয় তৈরি করা হয়েছে। যদিও গত রবিবার সদরের মহকুমা শাসক তমোজিৎ চক্রবর্তী যখন পরিদর্শনে গিয়েছিলেন, তখন খড়িয়া পঞ্চায়েতের তরফে জানানো হয়েছিল, প্রতিটি স্পারে পুরুষদের জন্য দু’টি ও মহিলাদের জন্য দু’টি, মোট চারটি করে শৌচালয় তৈরি করে দেওয়া হবে। সেখানে কেন একটি শৌচালয় হল, প্রশ্ন উঠেছে তা নিয়ে।
এনিয়ে অবশ্য খড়িয়া পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মনোজ ঘোষের সাফাই, পিকনিকের মরশুম তো অনেকটা পেরিয়েই গিয়েছে। আপাতত প্রতিটি স্পারে একটি করেই শৌচালয় তৈরি করা হল। পুরুষ ও মহিলাদের জন্য এখন আলাদা শৌচালয় বানানো সম্ভব নয়। তাঁর দাবি, পিকনিকের কারণে যাতে তিস্তাপাড় নোংরা না হয়, সেজন্য আমরা ডাস্টবিন বসিয়ে দিয়েছি। ফ্লেক্সের মাধ্যমে সচেতন করা হচ্ছে সবাইকে।
এদিকে, জেলা পুলিসের তরফে টাঙানো ফ্লেক্সে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্লাস্টিক জাতীয় কোনও জিনিস ব্যবহার করা যাবে না। ব্যবহার করতে হবে পরিবেশবান্ধব থালা এবং অন্যান্য সামগ্রী। বজায় রাখতে হবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা। নির্দিষ্ট জায়গায় আবর্জনা ফেলতে হবে। মেনে চলতে হবে শব্দবিধি। বর্জন করতে হবে নেশার সামগ্রী।
বৃহস্পতিবার জেলা পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত বলেন, তিস্তাপাড়ের পরিবেশরক্ষায় পুলিস সচেষ্ট হয়েছে। আমাদের নিয়মিত টহল চলছে। তিস্তাপাড়ে যাঁরা পিকনিকে আসবেন, তাঁরা কী কী করতে পারবেন না, তা লিখে ফ্লেক্স টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এনিয়ে অবশ্য খড়িয়া পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মনোজ ঘোষের সাফাই, পিকনিকের মরশুম তো অনেকটা পেরিয়েই গিয়েছে। আপাতত প্রতিটি স্পারে একটি করেই শৌচালয় তৈরি করা হল। পুরুষ ও মহিলাদের জন্য এখন আলাদা শৌচালয় বানানো সম্ভব নয়। তাঁর দাবি, পিকনিকের কারণে যাতে তিস্তাপাড় নোংরা না হয়, সেজন্য আমরা ডাস্টবিন বসিয়ে দিয়েছি। ফ্লেক্সের মাধ্যমে সচেতন করা হচ্ছে সবাইকে।
এদিকে, জেলা পুলিসের তরফে টাঙানো ফ্লেক্সে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্লাস্টিক জাতীয় কোনও জিনিস ব্যবহার করা যাবে না। ব্যবহার করতে হবে পরিবেশবান্ধব থালা এবং অন্যান্য সামগ্রী। বজায় রাখতে হবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা। নির্দিষ্ট জায়গায় আবর্জনা ফেলতে হবে। মেনে চলতে হবে শব্দবিধি। বর্জন করতে হবে নেশার সামগ্রী।
বৃহস্পতিবার জেলা পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত বলেন, তিস্তাপাড়ের পরিবেশরক্ষায় পুলিস সচেষ্ট হয়েছে। আমাদের নিয়মিত টহল চলছে। তিস্তাপাড়ে যাঁরা পিকনিকে আসবেন, তাঁরা কী কী করতে পারবেন না, তা লিখে ফ্লেক্স টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে।



