Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প! দাবি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের

ইরানে কি নতুন করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প? মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ কর্তারা ইরানে ফের এয়ার স্ট্রাইকের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন।

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প! দাবি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের
  • ১৭ মে, ২০২৬ ০৯:৫০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ইরানে কি নতুন করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প? মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ কর্তারা ইরানে ফের এয়ার স্ট্রাইকের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। যার পোশাকি নাম ‘অপারেশন এপিক ফিউরি ২.০’। দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ বিরতি চললেও পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ফেরাতে এখনও কোনো সমাধানসূত্র মেলেনি। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘাত থামাতে এবং হরমুজ প্রণালীকে উন্মুক্ত করার জন্য একাধিক দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু হরমুজ ইস্যুতেই বারবার ভেস্তে গিয়েছে আলোচনা। হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে থাকুক, তা চাইছেন না ট্রাম্প। যে কোনো উপায়ে তিনি হরমুজ খুলতে চান তিনি। কারণ, নির্বাচনি প্রচারে বিষয়টিকে আমেরিকার জয় হিসাবে প্রচার করতে পারবেন  তিনি। তাই প্রয়োজনে ইরানে ফের হামলা চালানোর পক্ষেই ট্রাম্প। সেজন্য ইরানের পাঠানো শান্তি প্রস্তাব ধর্তব্যের মধ্যেই আনছেন না তিনি।

Advertisement

চীন সফর সেরে সদ্য দেশে ফিরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বেজিং থেকে ফেরার আগে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ইরানের শান্তি প্রস্তাব সম্পর্কে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমি দেখেছিলাম। যদি প্রথম বাক্যটাই পছন্দ না হয়, আমি ছুড়ে ফেলে দিই।’ এরপরই ইরানে নতুন করে হামলা চালানো নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। চীনের সঙ্গে ইরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। বেজিংও পশ্চিম এশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালীর উপর নির্ভর করে। তবে, তেহরানের উপর চাপ সৃষ্টির জন্য তিনি বেজিংয়ের কাছে কোনো অনুরোধ করেননি বলে দাবি ট্রাম্পের। যদিও তাঁর দাবি, ইরানের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকা নিয়ে জিনপিংয়েরও আপত্তি রয়েছে। এজন্য চীনের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ট্রাম্প। যদিও ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে এরমধ্যেই কিছুটা সুর নরমের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।  এদিকে, আমেরিকার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। শুক্রবার তিনি জানান, আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড়ো বাধা হল আস্থার অভাব। ব্রিকস সম্মেলনের পর দিল্লি থেকে দেশে ফেরার আগে তিনি বলেন, ‘ওয়াশিংটন যেভাবে পরস্পরবিরোধী বার্তা দিচ্ছে, তাতে তাদের অভিসন্ধি নিয়েই প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। আমরা জানি না ওরা বিষয়টিকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে।’ তাঁর সাফ বার্তা, আমেরিকা যদি ন্যায্য শান্তিচুক্তির কথা বলে তাহলেই তাঁরা আলোচনা নিয়ে এগবেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ