ওয়াশিংটন: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির সংকট। গত দু’সপ্তাহ ধরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে লাফিয়ে বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। মার্কিন নীতিতে বিরক্ত একাধিক বন্ধু দেশও। যার জেরে বিপাকে পড়েছেন স্বয়ং ট্রাম্পও। এই পরিস্থিতিতে এবার দেশগুলিকে রুশ তেল কেনার অনুমতি দিল ওয়াশিংটন। এর আগে নয়াদিল্লিকে মস্কোর তেল কেনায় ছাড় দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন।
আমেরিকার ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক্স হ্যান্ডলে জানিয়েছেন, ‘ইরানের সন্ত্রাসবাদী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে চলা এই যুদ্ধের জেরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি রুখতে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিশ্বব্যাপী তেলের চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্য বজায় রাখতে দেশগুলিকে রুশ তেল কেনার অনুমতি দিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন।’ বেসেন্টের দাবি, এভাবে সরবরাহে থাকা তেল কিনলে রুশ সরকারের তেমন কোনো আর্থিক লাভ হবে না।
যদিও যুদ্ধের এই টালমাটাল বাজারের ফায়দা নিতে কার্পণ্য করছে না মস্কো। চলতি সপ্তাহেই ভ্লাদিমির পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ‘যতই খারাপ শোনাক না কেন, যেদিক থেকেই লাভ আসুক আমরা তা গ্রহণ করতে প্রস্তুত।’ তবে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তেলই রাশিয়ার একমাত্র আয়ের উৎস নয়। ইরানকে যুদ্ধ সরঞ্জাম ও লজিস্টিকসও সরবরাহ করছে মস্কো। মনে করা হচ্ছে, বেছে বেছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলার নেপথ্যে রয়েছে রাশিয়ার উপগ্রহচিত্র ও ড্রোন হামলার কৌশল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব জন হেইলি বলেছেন, ‘যুদ্ধ কৌশলের পিছনে রাশিয়ার অবদান রয়েছে, একথায় অবাক হওয়ার কিছু নেই। ইরানের অস্ত্রভাণ্ডারে রুশ অস্ত্র থাকতে পারে।’