Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে ঝামেলা, রক্ত ঝড়ল শিলিগুড়ি শহরে, গ্রেপ্তার টোটোচালক

২০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া দেওয়া নিয়ে টোটোচালক ও যাত্রীর মধ্যে হাতাহাতিতে রক্ত ঝড়ল শিলিগুড়িতে।

অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে ঝামেলা, রক্ত ঝড়ল শিলিগুড়ি শহরে, গ্রেপ্তার টোটোচালক
  • ২৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: ২০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া দেওয়া নিয়ে টোটোচালক ও যাত্রীর মধ্যে হাতাহাতিতে রক্ত ঝড়ল শিলিগুড়িতে। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ি সেবক মোড় এলাকায়। যাত্রীদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট ভাড়ার থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে গিয়ে টোটোচালক মা এবং ছেলেকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেছে। অন্যদিকে, চালকের পাল্টা অভিযোগ, যাত্রীদের তিনি প্রথমেই ভাড়া বলে দিয়েছিলেন। যাত্রীরা রাজিও হয়েছিল। পরে নির্দিষ্ট ভাড়ার থেকে ২০টাকা কম দিয়ে চলে যাওয়ায় চালক পথ আটকালে অকারণে যাত্রীরা তাকে মারধর করে। ঘটনা নিয়ে দুইপক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে শিলিগুড়ি থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। যদিও ঘটনায়  টোটোচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। অভিযুক্তির নাম জিতেন রায়। তাঁর বাড়ি বিদ্যাচক্র কলোনিতে।

Advertisement

পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  মঙ্গলবার দুপুরে সেবক রোডের একটি নার্সিংহোম থেকে টিকিয়াপাড়ার বাসিন্দা মায়া দত্ত ছেলে শম্ভু দত্তকে একটি টোটোতে চেপে সেবক মোড়ে আসেন। টোটোচালককে ভাড়া দেওয়ার পর তারা চলে যেতে থাকেন। তাঁদের অভিযোগ, সেসময় চালক মায়া দত্তের পথ আটকান। তাকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করেন। ছেলে বাধা দিতে এলে চালক তাকেও মারধর করেন বলে অভিযোগ। মারধরে ছেলের মুখে চোট লাগে। এরপরই স্থানীয়রা ওই টোটোচালককে ধরে ফেলে। খবর পেয়ে শিলিগুড়ি থানার পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। 
তবে টোটোচালকের দাবি, সেবক রোডের নার্সিংহোম থেকে টোটোয় চাপার সময়ই তিনি যাত্রীদের জানিয়েছিলেন জনপ্রতি ২০টাকা করে ভাড়া দিতে হবে।   তবে, গন্তব্যে পৌঁছে জনপ্রতি ১০ টাকা করে মোট ২০ টাকা ভাড়া দিয়ে চম্পট দিচ্ছিলেন দুই যাত্রী। টোটোচালক তাঁর প্রাপ্য ভাড় চাইলেও যাত্রীরা তা দিতে রাজি হননি। এরপরেই বচসা বাঁধলে মা ও ছেলে দু’জনে টোটোচালককে মারধর করেন। পরে যাত্রীদের মিথ্যে অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ঘটনার জেরে শহর শিলিগুড়িতে টোটোচালক এবং যাত্রীদের সম্পর্ক যে তলানিতে ঠেকেছে তার প্রমাণ মিলেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। 
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি(পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ