Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ফাঁকা মাঠে বক্তৃতা ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর, নবগ্রামে পদ্মশিবিরের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ

নবগ্রামের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ সাহার সমর্থনে মানিক সাহার নির্বাচনি জনসভা ভরল না। সভার ৬০ শতাংশের বেশি চেয়ার ফাঁকাই পড়েছিল।

ফাঁকা মাঠে বক্তৃতা ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর, নবগ্রামে পদ্মশিবিরের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ
  • ২০ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, লালবাগ: নবগ্রামের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ সাহার সমর্থনে মানিক সাহার নির্বাচনি জনসভা ভরল না। সভার ৬০ শতাংশের বেশি চেয়ার ফাঁকাই পড়েছিল। ছড়িয়ে ছিটিয়ে কিছু লোককে এদিক ওদিক বসে থাকতে দেখা যায়। একপ্রকার ফাঁকা সভায় বক্তব্য রাখলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। রবিবার দুপুরে পদ্ম শিবিরের নির্বাচনি জনসভা ফ্লপ শোয়ে পরিণত হয়। এদিনের ফ্লপ শো ভোটের আগে একদিকে যেমন বিজেপি নেতৃত্বের দুশ্চিন্তা কয়েকগুণ বাড়িয়ে তুলল, অন্যদিকে তৃণমূল নেতৃত্বকে বাড়তি অক্সিজেন জোগাল।  

Advertisement

রবিবার নবগ্রাম বিধানসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী দিলীপ সাহার সমর্থনে শেষ মুহূর্তের প্রচারে এসেছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। অল্প কর্মী সমর্থককে দিয়ে মাঠ ভরানোর কৌশল নিয়েছিল বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কারণে পলশন্ডা মোড় সংলগ্ন ভোলাডাঙা মাঠে নির্বাচনি জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। তাতেও মাঠ ভরল না। এদিন মেরেকেটে ৩৫০-৪০০ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। স্বাভাবিকভাবেই অর্ধেকের বেশি চেয়ার ফাঁকাই পড়ে ছিল। ফাঁকা জনসভায় দিলীপ সাহাকে জেতানোর আবেদন করেন মানিক সাহা। তিনি বলেন, রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের জন্য ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রয়োজন। ত্রিপুরায় ডবল ইঞ্জিন সরকার থাকায় সার্বিক উন্নয়ন হচ্ছে। এই রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতায় এলে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এদিকে সভায় লোক না হওয়া নিয়ে বিজেপি প্রার্থী বলেন, তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী গ্রামে গ্রামে গিয়ে ভয় দেখিয়েছে। সেই কারণে অনেকেই আসেননি। তৃণমূলের নবগ্রাম ব্লক সভাপতি মহম্মদ এনায়েতুল্লা বলেন, আমরা ভয় দেখানোর রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। বিদায়ী বিধায়ক কানাইচন্দ্র মণ্ডল বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে ওই দলের কর্মী সমর্থক মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। বিজেপির এদিনের জনসভা প্রমাণ করল নবগ্রামের মানুষ উন্নয়নের সঙ্গে আছেন। 
এদিকে এদিন দুপুর আড়াইটে নাগাদ খড়গ্রাম কেন্দ্রের পুড়াপাড়া গ্রামে আসেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মিতালী মালের সমর্থনে তিনি সভা করেন। এখানে তিনি বলেন, ত্রিপুরাতে পরিবর্তন এলে বাংলায় কেন নয়। এবার বাংলাতেও পরিবর্তন আসছে। ত্রিপুরার বাম শাসনের অবসানের পর মানুষ শান্তিতে বাস করছেন। আর এসব সম্ভব হয়েছে বিজেপি সরকারের দৌলতে। যেখানে নরেন্দ্র মোদির মতো প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন। সেখানে মানুষ শান্তিতে বাস করবেন।
এদিকে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ মানিকবাবুর আসার কথা থাকলেও তিনি সেখানে পৌঁছন বেলা আড়াইটে নাগাদ। এর ফলে সভায় সাধারণ বাসিন্দাদের উপস্থিতি ছিল কার্যত শূন্য। মানিকবাবুর বক্তব্যের সময় শুধুমাত্র দলীয় কর্মী সমর্থকদের সভাস্থলে দেখা যায়। এমনকী দেরি দেখে অনেক কর্মীও বাড়ি ফিরে গিয়েছেন বলে দাবি।

সম্পর্কিত সংবাদ