সংবাদদাতা, সিউড়ি: এক সময় রাজ্য সরকারের উদ্যোগে প্রতিটি পুর এলাকায় ত্রিফলা বাতি লাগানো হয়েছিল কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে। সিউড়িতেও শহরের প্রধান রাস্তার ধারে এই ত্রিফলা পথবাতি লাগানো হয়েছিল। সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করে শহর জুড়ে লাগানো হয়েছিল এই বাতিস্তম্ভগুলি। কিন্তু রক্ষনাবেক্ষণের অভাবে সেগুলি এখন অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বেশিরভাগ বাতিস্তম্ভের ওপর থেকে বাতিগুলি উধাও হয়ে গিয়েছে। এর পরিবর্তে ফের সাধারণ মানুষের করের টাকায় শহরের রাস্তায় লাগানো হয়েছে উঁচু বাতিস্তম্ভ। স্তম্ভগুলি সৌন্দর্যায়নের জন্য রঙিন লাইটও লাগানো হয়েছে তাতে। কিন্তু সাধারণ মানুষের প্রশ্ন আগের ত্রিফলা বাতিগুলি কী হবে? যদিও সিউড়ি পুরসভার কাছে এই নিয়ে কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি। জানা গিয়েছে, সিউড়ি শহরের সার্কিট হাউস মোড় থেকে একদিকে বাসস্ট্যান্ড ও এসপি মোড় এবং অন্যদিকে হাসপাতাল যাওয়ার রাস্তায় একসময় এই ত্রিফলা পথবাতি লাগানো হয়েছিল। একটি বাতিস্তম্ভে ছিল তিনটি করে বাতি। অভিযোগ কিছুদিনের মধ্যেই এই বাতিগুলি অকেজো হতে শুরু হয়েছিল। মাত্র বছর পাঁচেকের মধ্যেই কার্যত সব বাতিই অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। বাতিগুলি রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকলেও বেশিরভাগ বাতিতে বাল্বগুলি উধাও হয়ে গিয়েছে। সিউড়ির বাসিন্দা অনামিত্র বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়ন্ত ঘোষ বলেন, সিউড়ি পুরসভার এটাই কাজ। ভোটের আগে কিছু কাজ করবে। ভোট পেরিয়ে বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সেই কাজের বেহাল অবস্থা তৈরি হয়। যার প্রমাণ শহরের বেশকিছু রাস্তা, ত্রিফলা বাতি। এক সময় লক্ষাধিক টাকা খরচ করে এই ত্রিফলাবাতি লাগিয়েছিল। এখন রাস্তা দিয়ে গেলে সবাই দেখতে পাবেন সেগুলি অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সাধারণ মানুষের করের টাকার অপচয় ছাড়া এটা কিছুই নয়। শাসকদলও চুপচাপ। পুরসভার এক কর্তা বলেন, ত্রিফলাগুলি নষ্ট হয়েছিল বলেই নতুন এলইডি পথবাতি লাগানো হয়েছে। ত্রিফলার বাতিস্তম্ভগুলি কী হবে এখনও সেই নিয়ে ভাবনা চিন্তা নেই। -নিজস্ব চিত্র



