নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: তৃণমূল কংগ্রেসের ইতিহাস কর্মীদের জানতে ও বুঝতে হবে। তার জন্য ২১ জুলাই শহিদ সমাবেশে যেতে হবে। সোমবার মেদিনীপুরে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকে এমনই বার্তা দিল তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিন শহরের প্রদ্যোৎ স্মৃতি হলে প্রস্তুতি সভা করে মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, রাজ্য তৃণমূলের সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার, জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুজয় হাজরা, রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাত সহ প্রথম সারির নেতারা। সভা ঘিরে কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা যায়।
তৃণমূলের নেতৃত্ব জানিয়েছে, প্রতিটি ব্লক থেকে গড়ে পাঁচ হাজার মানুষ সমাবেশে যাবে। শতাধিক বাস, ছোট গাড়ির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে জেলা ও ব্লক নেতৃত্বের তরফে কর্মী-সমর্থকদের খাবারের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। ২০ জুলাই রাত থেকেই কলকাতার উদ্দেশে বহু নেতা-কর্মী রওনা দেবেন।
রাজ্য তৃণমূলের সভাপতি বলেন, এক সময় মানুষের সচিত্র পরিচয়পত্র ছিল না। তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই মানুষ সচিত্র পরিচয়পত্র পেয়েছে। আমি আশা করব, জেলার সমস্ত নেতা-কর্মী এই শহিদ সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন। দলের তরফে কর্মীদের জন্য সমস্ত ব্যবস্থা রাখা হবে। কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই দিকে নজর রাখবে দল।
জেলা তৃণমূলের সভাপতি বলেন, তৃণমূল দলের একটা ইতিহাস রয়েছে। সেই ইতিহাস সকলের জানা উচিত। তবেই দলের প্রতি ভালোবাসা বাড়বে। আশা করছি এবছর রেকর্ড ভিড় হবে। মানসবাবু বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াই ভোলার নয়। উনিই আমাদের অভিভাবক ও পথপ্রদর্শক। জেলা পরিষদের সভাধিপতি প্রতিভা মাইতি বলেন, দল সব সময় কর্মীদের কথা ভাবে। আমাদেরও দলের পাশে থেকে, দলকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক ও জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নির্মল ঘোষ বলেন, দলের নিয়ম মেনে সকলকে চলতে হবে। তবেই সংগঠন আরও মজবুত হবে।-নিজস্ব চিত্র