সংবাদদাতা, কাঁথি: এগরার একের পর এক সমিতিতে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে তৃণমূল। মঙ্গলবার এগরা-১ ব্লকের ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র পঞ্চায়েতের পুরুন্দা সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির প্রতিনিধি নির্বাচনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। সোমবারই এগরা-২ ব্লকের দুবদা পঞ্চায়েতের দুবদা সমবায় সমিতির নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল শাসকদল। মঙ্গলবার পুরুন্দা সমবায়ে ৫৭টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ৪৩টি আসনে জয়লাভ করে। বাকিগুলি পেয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, পটাশপুর-১ ব্লকের বড়হাট পঞ্চায়েতের বড়হাট সমবায়ে ন’টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল।
সোমবার দুবদা সমবায়ে ৬৫টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ৪৭টি আসনে জয়লাভ করেছিল। বিজেপি পায় ১৮টি আসন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র ও দুবদা পঞ্চায়েত বরাবরই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। লোকসভা নির্বাচনে এগরা বিধানসভায় গেরুয়ার প্রভাব থাকলেও এই দুটি এলাকায় নিজেদের শক্তি ধরে রাখতে পেরেছিল তৃণমূল। জয়ের মধ্য দিয়ে দু’টি সমিতির পরিচালন ক্ষমতা পুনর্দখল করল তৃণমূল। জয়লাভের পর শাসকদলের নেতা-কর্মীরা সবুজ আবির খেলায় মেতে ওঠেন। এলাকার বিধায়ক তরুণ মাইতি বলেন, বিজেপির অপচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়ে মা-মাটি-মানুষের বিজয়রথকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাই। বিজেপির মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক তন্ময় হাজরা বলেন, তৃণমূল অর্থ ও পেশিশক্তির বলে ক্ষমতা দখল করতে বরাবরই সিদ্ধহস্ত। তবে আমরাও লড়াই দিয়েছি। পুরুন্দায় ১৭টি ও দুবদায় ১৮টি আসন আমাদের দখলে এসেছে। পটাশপুরের বড়হাট সমবায়ে মঙ্গলবার ছিল মনোনয়নপত্র তোলার দিন। তবে তৃণমূল ছাড়া অন্য কোনও দল মনোনয়নপত্র না তোলায় তৃণমূলকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। আগামী ২৫ জুন নির্বাচন ছিল। তার আর প্রয়োজন রইল না।