নিজস্ব প্রতিনিধি, রানঘাট: মঙ্গলবার তৃণমূলের নদীয়া দক্ষিণের জেলা কমিটি এবং ব্লক ও টাউনের সভাপতিদের নাম প্রকাশ করা হল। সামনে আনা হয়েছে বহু পুরনো মুখ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেই তালিকা ঘোষণা করেছে শাসক দল।
নিজস্ব প্রতিনিধি, রানঘাট: মঙ্গলবার তৃণমূলের নদীয়া দক্ষিণের জেলা কমিটি এবং ব্লক ও টাউনের সভাপতিদের নাম প্রকাশ করা হল। সামনে আনা হয়েছে বহু পুরনো মুখ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেই তালিকা ঘোষণা করেছে শাসক দল।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শান্তিপুরের দুই ব্লকের নেতৃত্বে এসেছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। শান্তিপুর এ-ব্লকের সভাপতির দায়িত্ব পেলেন দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ নেতা সুশান্ত ঘোষ। কিছুদিন আগেই এই পদ থেকে সরানো হয়েছিল সুব্রত সরকারকে। অপরদিকে, শান্তিপুর বি-ব্লকে কানাই দেবনাথের পরিবর্তে নতুন সভাপতি করা হয়েছে উৎপল বসাককে। গ্রামীণ এলাকায় দলীয় তৎপরতা বাড়াতে দক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য মুখদের সামনে আনার কৌশলই স্পষ্ট হয়েছে এই রদবদলে। শহরাঞ্চলেও এসেছে নতুন নেতৃত্ব। শান্তিপুর শহর তৃণমূলের সভাপতির চেয়ারে ফের বসলেন বৃন্দাবন প্রামাণিক। রানাঘাট শহরেও পরিবর্তন এসেছে। ব্যস্ততার কারণে সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে থাকা পবিত্র ব্রহ্মের বদলে দায়িত্ব পেলেন অসিত দত্ত। সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় রদবদল হয়েছে রানাঘাট-১ ব্লকেও। একটি ব্লককে সাংগঠনিকভাবে দু’ভাগে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ব্লকের একাংশে সভাপতি হলেন, তাপস বিশ্বাস এবং অন্য অংশের দায়িত্বে রাখা হয়েছে শ্যামসুন্দর ঘোষকে। কল্যাণী শহর তৃণমূলে একইভাবে নেতৃত্ব পরিবর্তন করে সুশীল তালুকদারকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রাক্তন দুই বিধায়ক নীলিমা নাগ এবং রত্না ঘোষকে আনা হয়েছে তৃণমূলের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে।
জেলা সভাপতি হিসেবে আগেই দ্বিতীয়বারের জন্য ভরসা রাখা হয়েছিল দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের উপর। এবার তাঁর নেতৃত্বাধীন কমিটিও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে। যুব, মহিলা ও শ্রমিক সংগঠনের বিভিন্ন স্তরেও একাধিক নতুন মুখকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোটের মাত্র কয়েক মাস আগে এই ব্যাপক রদবদল থেকে স্পষ্ট, দলের সংগঠনকে আরও আক্রমণাত্মক এবং ভোটমুখী করতে তৃণমূল সর্বশক্তি নিয়োগ করছে।