নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মদ্যপ অবস্থায় দাদাগিরি! এক বৃদ্ধ গ্রামীণ চিকিৎসককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এক অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনী ব্লকের ১০ নম্বর কর্ণগড় অঞ্চলের ভাদুতলা এলাকায়। নিগ্রহের পর অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই চিকিৎসক নিখিলকুমার ঘোষ। মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজে তাঁর চিকিৎসা করানো হয়। এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা কাঞ্চন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে শালবনী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই নেতা। তাঁর দাবি, তিনি মারধর করেননি, শুধুমাত্র ধমক দিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ওই চিকিৎসক বিজেপি সমর্থক হওয়ায় তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে কাঞ্চনবাবুর পরিবারের এক সদস্যের শরীর খারাপ হয়। সেই সময় কাঞ্চনবাবুর দাদা চন্দন চক্রবর্তী নিখিলবাবুর চেম্বারে যান। তাঁকে বাড়িতে গিয়ে চিকিৎসা করার অনুরোধ করেন। নিখিলবাবু জানিয়ে দেন, করোনার সময় থেকে তিনি নিজেই অসুস্থ। তাই বাড়িতে গিয়ে রোগীকে দেখা সম্ভব নয়। তিনি রোগীকে চেম্বারে নিয়ে আসার অনুরোধ করেন। অভিযোগ, তা শুনে বাড়িতে যাওয়ার জন্য তাঁর চেম্বারে যান তৃণমূল নেতা কাঞ্চনবাবু। তাঁকেও চিকিৎসক একই কথা বলায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। অভিযোগ, এরপরই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের পাশাপাশি নিখিলবাবুকে মারধর ও চেম্বার ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনায় তৃণমূল নেতার দাদা ও তাঁর ছেলেও যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ।



