Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পঞ্চায়েতের ক্ষমতা নিয়ে দলের অঞ্চল সভাপতির সঙ্গে দ্বন্দ্ব , বিডিওর দ্বারস্থ তৃণমূলের প্রধান

পঞ্চায়েতের ক্ষমতা নিয়ে দলের অঞ্চল সভাপতির সঙ্গে দ্বন্দ্ব , বিডিওর দ্বারস্থ তৃণমূলের প্রধান
  • ১৬ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ভগবানপুর-১ব্লকের বেঁউদিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাশ কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি ও প্রধানের মধ্যে ব্যাপক দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। টানা পাঁচ মাস পঞ্চায়েত অফিসের ছায়া মাড়াননি অঞ্চল সভাপতি তথা ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তপনকুমার দাস। তাঁর ঘনিষ্ঠ আরও দুই সদস্যা চার মাস ধরে অফিসে যাচ্ছেন না। গত জানুয়ারি মাস থেকে টানা পাঁচটি সাধারণ সভার মিটিংয়ে গরহাজির অঞ্চল সভাপতি। এমনকী, তিনি সাধারণ সভার নোটিস গ্রহণ করছেন না। অঞ্চল সভাপতি সহ তিনজনের পঞ্চায়েত অফিসে সাধারণ সভার মিটিংয়ে গরহাজিরা নিয়ে বিডিওকে চিঠি দিয়েছেন প্রধান অপর্ণা কর। পঞ্চায়েতের নিয়ম অনুযায়ী, টানা তিনটি কিংবা তার বেশি সাধারণ সভার মিটিংয়ে হাজির না থাকলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের সাম্মানিক বন্ধ হতে পারে। এক্ষেত্রে প্রধানের চিঠি পেয়ে বিডিও কী পদক্ষেপ নেন, সেটাই এখন ঩দেখার।

Advertisement

বেঁউদিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট সদস্য সংখ্যা ২৫। তারমধ্যে তৃণমূলের টিকিটে ১৬জন জয়ী হয়। এছাড়া, বিজেপি ছ’টি, সি঩পিএম একটি এবং নির্দল দু’টি আসনে জয়ী হয়। এক নির্দল পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হয়েছেন অপর্ণা কর। তিনি এর আগে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা ছিলেন। প্রধান হওয়ার কয়েক মাস বাদেই অঞ্চল সভাপতির সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব শুরু হয়। মূলত পঞ্চায়েত পরিচালনার রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়েই এই গণ্ডগোলের সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে।
গত ৬ জানুয়ারি থেকে পর পর পাঁচটি সাধারণ সভার মিটিংয়ে গরহাজির রয়েছেন তপনকুমার দাস। তাঁর সঙ্গে আরও দুই সদস্যা পুষ্পচন্দ্র দে এবং মীনা সিহি ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা চারটি সাধারণ সভায় গরহাজির। বাকি সদস্যরা অবশ্য সাধারণ সভার মিটিংয়ে যোগ দিচ্ছেন। প্রধান অপর্ণা করের স্বামী তথা তৃণমূলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি টোকনচন্দ্র কর বলেন, তপনবাবু পঞ্চায়েত পরিচালনায় খবরদারি করতে চাইছেন। সেই সুযোগ না পেয়ে তিনি জানুয়ারি মাস থেকে পঞ্চায়েতে আসা ছেড়ে দিয়েছেন। সাধারণ সভার মিটিংয়ে গরহাজির থাকেন। আমরা পঞ্চায়েত থেকে এবিষয়ে বিডিওকে চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেছি। অঞ্চল সভাপতি তপনকুমার দাস বলেন, পঞ্চায়েত পরিচালনায় একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অন্য‌ সদস্যদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। বারবার বলার পরও কোনও পরিবর্তন হয়নি। বিষয়টি ব্লক প্রশাসন ও দলের ব্লক নেতৃত্বের নজরেও আনা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ