Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খড়্গপুরে রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছে রেল প্রতিবাদে সরব তৃণমূল-বিজেপি

খড়্গপুর শহরের সাউথসাইড এলাকায় রাস্তা বন্ধ করে রেলের প্রাচীর দেওয়াকে কেন্দ্র করে শনিবার উত্তেজনা ছড়ায়।

খড়্গপুরে রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছে রেল প্রতিবাদে সরব তৃণমূল-বিজেপি
  • ১ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: খড়্গপুর শহরের সাউথসাইড এলাকায় রাস্তা বন্ধ করে রেলের প্রাচীর দেওয়াকে কেন্দ্র করে শনিবার উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূল নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এলাকার বাসিন্দারা প্রতিবাদে সোচ্চার হন। প্রতিবাদে নামেন রেলকর্মীদের পরিবারে সদস্যারাও। শামিল হন বিজেপি কর্মীরাও। স্থানীয় বাসিন্দারা ছেনি, হাতুড়ি, শাবল, গাঁইতি নিয়ে প্রাচীর ভাঙার চেষ্টা করেন। বেলার দিকে কিছুটা অংশ ভেঙেও দেওয়া হয়। খবর পেয়ে আরপিএফ ঘটনাস্থলে এলে উত্তেজনা ছড়ায়। আরপিএফ প্রাচীর ভাঙায় বাধা দিতে গেলে বাসিন্দাদের সঙ্গে বচসা ও ধস্তাধস্তি হয়। আরপিএফকে লাঠি চালিয়ে উত্তেজিত জনতাকে সরাতে দেখা যায়। মণ্ডল সভাপতি ডি উমাশঙ্কর সহ বিজেপির পাঁচজনকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। রেলের এক আধিকারিক ঘটনাস্থলে এলে উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। তাঁকে দেখে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বাসিন্দারা। মহিলারা জানিয়ে দেন, দু’দিনের মধ্যে প্রাচীর না সরালে তাঁরাই ভেঙে দেবেন। রেলের সিনিয়ার ডিসিএম নিশান্ত কুমার বলেন, রেলের জায়গায় কর্তৃপক্ষই প্রাচীর দিয়েছে। 

Advertisement

বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলেন, আমাদের আরপিএফের টাউন পোস্টে এনে রাখা হয়েছে। অথচ তৃণমূলের নেতাদের বিরুদ্ধে কিছু করা হল না। এর থেকেই প্রমাণ হয় তৃণমূলের সঙ্গে যোগসাজশে এসব হচ্ছে। 
অভিযোগ, শহরের বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দাদের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছে রেল। সম্প্রতি তৃণমূল স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে একটি বন্ধ রাস্তা খুলেও দেয়। কয়েকদিন আগে রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাব সংলগ্ন ঝাপেটাপুর যাওয়ার এই রাস্তাটি রেল প্রাচীর দিয়ে বন্ধ করে দেয়। ফলে দুর্ভোগে পড়েন বাসিন্দারা। তাঁদের অনেকটা ঘুরপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সমস্যায় পড়ছেন রেল আবাসনে থাকা কর্মীরাও। রাতে সমস্যা আরও বাড়ছে। এদিন তার বিরুদ্ধেই সোচ্চার হন বাসিন্দারা। পাশে দাঁড়ান প্রাক্তন বিধায়ক তথা পুরসভার কাউন্সিলার প্রদীপ সরকার, স্থানীয় কাউন্সিলার রোহন দাস ও যুব তৃণমূল নেতা অসিত পাল সহ তৃণমূলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা। শামিল হয় বিজেপিও। প্রদীপবাবু বলেন, রেল কোনওরকম আলোচনা না করে জোর করে রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না। এদিন রেলকর্মীদের পরিবারের সদস্যরাও প্রতিবাদে শামিল  হন। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।
 অসিতবাবু বলেন, রেলের সঙ্গে কথা হয়েছে। সোমবার আধিকারিকরা আলোচনায় বসবেন বলেছেন। আমরা এদিন চলাচল করার মতো রাস্তা করে দিয়েছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ