Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভুল বোঝানো হচ্ছে, অভিযোগ তৃণমূলের

এসআইআর আবহে এবার সিএএ ক্যাম্প করছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই সিউড়ি মহকুমা এলাকায় দু’টি শিবির করেছে তারা। কিন্তু গত কয়েকদিনে শিবিরে ভিড় তো দূরের কথা, মাছি তাড়াচ্ছে দলের কর্মীরা।

ভুল বোঝানো হচ্ছে, অভিযোগ তৃণমূলের
  • ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, সিউড়ি: এসআইআর আবহে এবার সিএএ ক্যাম্প করছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই সিউড়ি মহকুমা এলাকায় দু’টি শিবির করেছে তারা। কিন্তু গত কয়েকদিনে শিবিরে ভিড় তো দূরের কথা, মাছি তাড়াচ্ছে দলের কর্মীরা। সিএএ শিবির নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতেই বিজেপির এই শিবির। কিছু মানুষকে ভুল বুঝিয়ে আবেদন করানো হচ্ছে। তবে বেশিরভাগ মানুষই বিজেপির এই চক্রান্তে পা দিচ্ছে না বলে দাবি ঘাসফুল শিবিরের। যদিও বিজেপির পাল্টা দাবি, এই আইন সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করতে তৃণমূলও এগিয়ে আসুক। 

Advertisement

বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সপ্তাহ দুয়েক ধরে এই ক্যাম্প করা হয়েছে। একটি রয়েছে দুবরাজপুরের মুক্তি নগরে। আরেকটি করা হয়েছে সিউড়িতে জেলা বিজেপির কার্যালয়ে। গেরুয়া শিবির সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দু’ সপ্তাহ ধরে ওই শিবিরে মাত্র ১১০ জনের অনলাইন আবেদন করা হয়েছে। এছাড়া আরও প্রায় ৩০ জনের আবেদন বিজেপি নেতাদের কাছে রয়েছে। যা তাঁরা অনলাইনে করবেন। বিজেপি নেতাদের থেকে জানা গিয়েছে, আবেদনকারীদের মধ্যে প্রায় ৫০ জন দুবরাজপুরের, সাঁইথিয়ার প্রায় ৩০ জন এবং সিউড়িতে জেলা কার্যালয়ে আবেদন করেছেন প্রায় ২০ জন। তবে কেবল ওই দু’টি শিবির নয়। জেলায় আরও শিবির বানানোর পরিকল্পনা রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। তবে শিবিরগুলিতে সেই অর্থে ভিড় নেই। বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, দলের পক্ষ থেকে রাজ্যের নানান জায়গায় সিএএ সহায়তা শিবির করা হচ্ছে। সেই মতো এই জেলাতেও করা হয়েছে। আসলে মানুষকে সহযোগিতা করতেই এই উদ্যোগ। কারণ অনেকে এখনও ইন্টারনেট নিয়ে সড়গড় নন। তাই তাঁদের আবেদন করতে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তা দেখা হচ্ছে। তবে বিজেপির অন্দরের খবর, প্রথম দু’ দিন কিছু মানুষ এলেও, সময়ের সঙ্গে আর শিবিরে সেই অর্থে মানুষ আসছেন না। 
তৃণমূল জেলা সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরাও এই জিনিসটা লক্ষ্য করছিলাম যে, দুবরাজপুর আদালতে বেশকিছু মানুষকে এনে তাঁরা এফিডেফিট করিয়ে বলানোর চেষ্টা করছে যে, তাঁরা এখানকার নাগরিক নন। তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হোক। কিন্তু এটা করতে গেলে তাঁদের প্রথমেই স্বীকার করে নিতে হবে যে, তাঁরা এখানকার নাগরিক নন। ফলে এখানকার কোনও সুযোগ সুবিধা পাবে না। আসলে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে এসব করার চেষ্টা করছে। তবে বেশিরভাগ মানুষই ওই ফাঁদে পা দিচ্ছে না। আমার মনে হয় না এতে কিছু লাভ হবে। এটা সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। যদিও এই দাবি মানতে নারাজ বিজেপি। বিশ্বজিৎ সাহার পাল্টা দাবি, ভারতের আইন তো কেবল মাত্র বিজেপির জন্য নয়। তাই আমি তৃণমূল নেতাদেরও আহ্বান জানাব তাঁরাও শিবির করুন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ