Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হাইমাদ্রাসায় মনোনয়ন তুলতে গিয়ে হকিস্টিক, লাঠি দিয়ে সিপিএম নেতা-কর্মীদের মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

সোমবার নন্দীগ্রাম-১ব্লকের দাউদপুর গুমগড় হাইমাদ্রাসায় মনোনয়ন তোলা ও জমাকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। আগামী ৩১আগস্ট ওই হাইমাদ্রাসা পরিচালন কমিটির ছ’টি আসনে ভোট হওয়ার কথা।

হাইমাদ্রাসায় মনোনয়ন তুলতে গিয়ে হকিস্টিক, লাঠি দিয়ে সিপিএম নেতা-কর্মীদের মার, অভিযুক্ত তৃণমূল
  • ১৯ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

঩নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: সোমবার নন্দীগ্রাম-১ব্লকের দাউদপুর গুমগড় হাইমাদ্রাসায় মনোনয়ন তোলা ও জমাকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। আগামী ৩১আগস্ট ওই হাইমাদ্রাসা পরিচালন কমিটির ছ’টি আসনে ভোট হওয়ার কথা। সোমবার মনোনয়ন তোলা ও জমার দিন ধার্য ছিল। মনোনয়ন ঘিরে যাতে অশান্তি না হয়, সেই জন্য মাদ্রাসার গেট প্রচুর পুলিস ছিল। মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে তৃণমূল ক্যাম্প করে প্রচুর জমায়েত করেছিল। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ সিপিএমের লোকজন দলবেঁধে মনোনয়ন তুলতে গেলে তৃণমূলের ক্যাম্প থেকে এসে কর্মীরা চড়াও হয়। বেধড়ক মারধর করে। ফাইবারের লাঠি, হকিস্টিক নিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় সিপিএমের এরিয়া কমিটির সম্পাদক মহাদেব ভুঁইয়া, এরিয়া কমিটির সদস্য শেখ তাহেদুল ইসলাম সহ আরও কয়েকজন জখম হন। তাঁরা নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসা করান। ওই হাইমাদ্রাসায় বিজেপি মনোনয়ন জমা দেয়নি। অভিভাবকদের মধ্যে বিজেপি মনোভাবাপন্ন সেভাবে নেই। সিপিএম প্রার্থী দিতে পারে বলে শাসক দলের কাছে খবর ছিল। সেইমতো মাদ্রাসা থেকে ২০০মিটার দূরে ক্যাম্প করে শাসক দলের শ’খানেক কর্মী-সমর্থক জড়ো হয়েছিলেন। জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ কর্মাধ্যক্ষ শেখ সামসুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সিপিএমের লোকজন মিছিল করে যাওয়ার সময়ই পথ আটকায় তৃণমূল। তারপর ফাইবারের লাঠি, হকিস্টিক দিয়ে বেদম মারধর করা হয়। বাধা পেরিয়ে মাদ্রাসায় পৌঁছতে পারেননি সিপিএম নেতা-কর্মীরা। তৃণমূলের ক্যাম্পের সামনে থেকেই তাঁদের পিছু হটতে হয়।

Advertisement

ছ’টি আসনে শাসক দলের তরফেই মনোনয়ন জমা পড়েছে। অন্য কোনও দল মনোনয়ন জমা না করায় আপাতত শাসক দলের প্রার্থীরা জয়ের পথে। তবে, এদিনের ঘটনা ২০১৮সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন জমার স্মৃতি উস্কে দিয়েছে। সিপিএমের নন্দীগ্রাম এরিয়া কমিটির সম্পাদক মহাদেববাবু বলেন, আমরা একযোগে মিছিল করে মনোনয়ন তুলতে যাচ্ছিলাম। আচমকাই তৃণমূলের ক্যাম্প থেকে ওদের নেতা-কর্মীরা ফাইবারের লাঠি, হকিস্টিক নিয়ে তেড়ে আসে। আমাদের উপর চড়াও হয়। আমাদের বেশ কয়েকজন জখম হন। আমরা নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসা করাই। ক্যাম্পের কাছে গণ্ডগোলের আশঙ্কার কথা জেনেও সেখানে পুলিস মোতায়েন ছিল না। হেরে যাওয়ার ভয়ে শাসক দল ভোটের ঝুঁকি নেয়নি। লেঠেল বাহিনী নামিয়ে বিনা ভোটে জয় নিশ্চিত করতে চেয়েছে।তৃণমূল নেতা শেখ সামসুল ইসলাম বলেন, সিপিএমের লোকজন মিছিল করে যাওয়ার সময় আমাদের কটূক্তি করছিল। আমাদের কর্মীরা তার প্রতিবাদ করেছে। এর বেশি কিছু ঘটেনি।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ