ধারাবাহিক ‘পরশুরাম আজকের নায়ক’-এর ‘তটিনী’ এখন টেলিভিশনের অত্যন্ত জনপ্রিয় চরিত্র। সেই সুবাদে তৃণা সাহার জনপ্রিয়তাও তুঙ্গে। অকপট আড্ডায় এই জার্নি ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী।
ধারাবাহিক ‘পরশুরাম আজকের নায়ক’-এর ‘তটিনী’ এখন টেলিভিশনের অত্যন্ত জনপ্রিয় চরিত্র। সেই সুবাদে তৃণা সাহার জনপ্রিয়তাও তুঙ্গে। অকপট আড্ডায় এই জার্নি ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী।
কোন কোন কাজ এ বছর প্রায়োরিটি লিস্টে রয়েছে?
তৃণা: আমি আরো ভালো মানুষ হতে চাই। নিজের উন্নততর ভার্সনে নিজেকে নিয়ে যেতে চাই। অনেক ভালো কাজ করতে চাই। সবকিছুর মধ্যে ভালো খারাপ দুটোই আছে। খারাপটা বাদ দিয়ে শুধু ভালোটা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।
নেগেটিভিটি সরিয়ে রেখে পজিটিভ থাকার মূলমন্ত্র কী?
তৃণা: জীবনে প্রতি পদক্ষেপে নেগেটিভিটি আসবে। সেগুলোকে সরিয়ে নিজেই নিজেকে ভালো রাখতে হয়। এই মানসিকতাটা খুব জরুরি। কেউ যদি মনে করে নিজেকে ভালো রাখবে, তাহলে সে ভালো থাকবেই। গঠনমূলক সমালোচনা সব সময় স্বাগত। সেখানে আমি নিজেকে শুধরে নেওয়ার সুযোগ পাই। কিন্তু, যে নেতিবাচক মন্তব্য আমার আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে দেবে সেটা এড়িয়ে চলাই ভালো।
‘পরশুরাম’ নিয়ে আপনি কতটা এক্সাইটেড?
তৃণা: কিছুদিন আগেই ৩০০ পর্বের সেলিব্রেশন হল। এবার এক বছরও পেরিয়ে গেলাম আমরা। এর পুরো কৃতিত্বই স্নেহাশিসদার (চক্রবর্তী, প্রযোজক)। পরশুরাম এত ভালো একটা প্রজেক্ট যে, সাফল্য অনিবার্য।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার দাম্পত্য সম্পর্ক ভাঙার আলোচনা সামলান কীভাবে?
তৃণা: এই ধরনের ঘটনায় আমার বা নীলের (অভিনেত্রীর স্বামী তথা অভিনেতা) খারাপ লাগার থেকেও আমাদের বাড়ির মানুষদের আরও বেশি খারাপ লাগে। আমাদের পরিবার খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত। আমাদের দু’জনের এখন এই ব্যাপারটা সয়ে গিয়েছে। আমরা নিজেরা জানি আমাদের সম্পর্ক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের বাড়ির মানুষরা জানেন। তাই সম্পর্ক নিয়ে সবার কাছে জবাবদিহি করতে চাই না।
পূর্বাশা দাস