Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

একহাঁটু কাদায় যাতায়াত, চরম দুর্ভোগ ঝালদায়

পুকুরের মাটি কেটে ফেলে দেওয়া হয়েছে রাস্তায়। ফলে বেহাল হয়ে পড়েছে রাস্তা। বর্ষায় সেই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে ঝালদা-২ ব্লকের গুড়িডি, চিতমু, তাহেরবেড়া, কাঁশিডি সহ বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দাদের।

একহাঁটু কাদায় যাতায়াত, চরম দুর্ভোগ ঝালদায়
  • ১৮ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: পুকুরের মাটি কেটে ফেলে দেওয়া হয়েছে রাস্তায়। ফলে বেহাল হয়ে পড়েছে রাস্তা। বর্ষায় সেই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে ঝালদা-২ ব্লকের গুড়িডি, চিতমু, তাহেরবেড়া, কাঁশিডি সহ বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দাদের। এটাই বাসিন্দাদের অন্যতম যাতায়াতের রাস্তা। চাষিরা এই রাস্তা দিয়ে সহজেই ঝাড়খণ্ডের জেনামোড়, বোকারোয় চাষের সামগ্রী নিয়ে পৌঁছতে পারেন, তেমনই আবার গুড়িডির বাসিন্দারা সহজেই পুন্দাগ কিংবা কোটশিলা পৌঁছতে পারেন। কিন্তু, মাত্র ৪০০ মিটার রাস্তার অবস্থা বেহাল থাকার জন্য বাসিন্দারা ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন। বাসিন্দারা জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি চিতমু থেকে গুড়িডি, বাঁশগড় হয়ে ঝাড়খণ্ড চলে যাচ্ছে। কিন্তু, মাত্র ৪০০মিটার অংশের জন্য এই রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করা দায় হয়ে উঠেছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত মার্চ-এপ্রিল নাগাদ চিতমুতে ওই রাস্তার পাশে থাকা বড়বাঁধের সংস্কার করা হয়। সংস্কারের পর সেই মাটি কেটে রাস্তার উপরেই ফেলা হয়। বৃষ্টির জেরে কাদা হয়ে গিয়েছে। রাস্তা দিয়ে যাতায়াত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। হেঁটে গেলে এক হাঁটু কাদা! গাড়ি নিয়ে তো যাতায়াত করাই যাচ্ছে না। 

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ওই পুকুর সংস্কারের সময় মাটি যখন রাস্তায় ফেলা হয়, তখনই আমরা আপত্তি জানিয়েছিলাম। যদিও ঠিকাদার কোনও কথা শোনেননি। জনপ্রতিনিধি থেকে প্রশাসনের দপ্তরে এনিয়ে বহুবার অভিযোগ জানানো হয়েছে। যদিও কোনও কাজ হয়নি। 
গুড়িডির বাসিন্দা শুভজিৎ গড়াই, হৃষিকেশ গড়াই বলেন, পুকুর সংস্কারের সম্পূর্ণ মাটি অবৈধভাবে ঢালাই রাস্তার উপর ফেলে দেওয়া হয়। এরফলে আমাদের পুন্দাগ স্টেশন যাওয়ার জন্য ১৭ কিলোমিটার এবং কোটশিলা যেতে সাত কিলোমিটার ঘুরে যেতে হচ্ছে। আমরা প্রবল সমস্যার মধ্যে পড়েছি। জেলা পরিষদের পূর্তকর্মাধ্যক্ষ হংসেশ্বর মাহাত বলেন, সমস্যার কথা শুনেছি। বাসিন্দাদের সত্যিই খুব সমস্যা হচ্ছে। কীভাবে সমাধান করা যায় দেখছি।
স্থানীয় তৃণমূল নেতা মন্টু গড়াই, জেলা পরিষদের সদস্য যুগ্নিবালা গড়াই বলেন, পুকুরের পাড়বাঁধাতেই মাটি ফেলা হয়েছিল। তার উপর মোরাম ফেলে দেওয়ার কথা হয়েছিল। কিন্তু, বৃষ্টির জন্য সেই কাজ আটকে গিয়েছে। এখন চাষের মরশুম। ট্রাক্টর গিয়ে রাস্তার অবস্থা আরও খারাপ হয়ে গিয়েছে। বর্ষা পার হলে সেই কাজ করা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ