Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ফরাক্কা ব্যারাজে দাঁড়িয়ে ট্রেন, ভোগান্তি

ওভারহেড বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে বিপত্তি। রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ফরাক্কা ব্যারাজের উপর একটি প্যাসেঞ্জার ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকে।

ফরাক্কা ব্যারাজে দাঁড়িয়ে ট্রেন, ভোগান্তি
  • ২৫ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: ওভারহেড বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে বিপত্তি। রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ফরাক্কা ব্যারাজের উপর একটি প্যাসেঞ্জার ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকে। তার জেরে ওই ট্রেনের যাত্রীরা ব্যাপক সমস্যায় পড়েন। ব্যারাজের রেললাইনের উপর ট্রেনটি দাঁড়িয়ে পড়ায় ওই শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। পরবর্তী ট্রেনগুলিও আটকে পড়ে। তার মধ্যে ছিল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস সহ নানা দূরপাল্লার ট্রেন। খবর পেয়ে আরপিএফ ও রেলের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। সকাল থেকে চেষ্টার পর দুপুর ১টা নাগাদ ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

Advertisement

এদিন প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি মালদহ থেকে নিউ ফরাক্কা হয়ে আজিমগঞ্জে যাচ্ছিল। বিদ্যুতের ওভারহেড তার ছিঁড়ে যাওয়ায় ফরাক্কা ব্যারাজের উপরই সেটি দাঁড়িয়ে পড়ে। ফলে ওই লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে রেল আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছন। তাঁরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করে দুপুর নাগাদ ওভারহেড তার জুড়ে দেন। যদিও ততক্ষণে যাত্রীরা প্রচণ্ড ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। অবশেষে ট্রেন চলতে শুরু করায় তাঁরা হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন।
ফরাক্কার স্টেশন সুপার তন্ময় বিশ্বাস বলেন, ওভারহেড বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যাওয়ায় সমস্যা হয়। তাড়াতাড়ি সেই তার জুড়ে দুপুরেই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এদিন সকাল ৮টা নাগাদ মালদহ-আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি ফরাক্কা ব্যারাজে ঢুকতেই ওভারহেড তার ছিঁড়ে যায়। ফলে ব্যারাজের মাঝখানেই প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি দাঁড়িয়ে পড়ে। যাত্রীরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেননি। কিন্তু, দীর্ঘক্ষণ পরেওও ব্যারাজ থেকে ট্রেন না ছাড়ায় তাঁদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পরেই আরপিএফ জওয়ানরা এসে পৌঁছন। পরে রেলের আধিকারিকরাও এসে পৌঁছন। এরপরই পুরো বিষয়টি যাত্রীদের কাছে পরিষ্কার হয়। দীর্ঘক্ষণ ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকায় যাত্রীদের হয়রানির শিকার হতে হয়। তাঁদের কয়েকজন ট্রেন থেকে নেমে রেললাইন দিয়ে হেঁটে পার হয়ে যান। দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টা পরে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এই লাইনে মালদহ শাখা এবং উত্তরবঙ্গগামী বহু দূরপাল্লার ট্রেন চলাচল করে। এদিনের ঘটনার জেরে অমৃত ভারত ও কুলিক এক্সপ্রেস আটকে পড়েছিল। ফলে ওই দু’টি দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রীরাও সমস্যায় পড়েন। ওই দু’টি এক্সপ্রেস ট্রেনকেই মালদহে আটকে দেওয়া হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা ট্রেন দু’টি মালদহ স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকে। ট্রেনের যাত্রী আতাউর রহমান বলেন, মালদহে ট্রেনে উঠেছিলাম। ফরাক্কা ব্যারাজে ওভারহেড তার ছিঁড়ে যাওয়ায় আটকে পড়ি। কপালে ভোগান্তি থাকলে কী আর করা যাবে!  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ