সংবাদদাতা, পতিরাম: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেও ট্যাবের টাকা প্রতারণার জাল ছড়ানোর পর হইচই। দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কারা? মূল মাথা কে? সেসব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহল্লায়। জালিয়াতদের অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য নিয়ে খোঁজ শুরু করেছে সাইবার থানা। পুলিস ও স্কুল সূত্রে খবর, জালিয়াতদের ছ’টি অ্যাকাউন্টই উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া ব্লকের। ইতিমধ্যে ওই ব্লকে বেশকিছু জালিয়াতের হদিশ পেয়েছে পুলিস। তারাই একাজ করেছে কিনা শুরু হয়েছে তদন্ত। ডিএসপি (ডিইবি) রাহুল বর্মন বলেন, অভিযোগের পরেই তদন্ত শুরু হয়েছে। সবদিক খতিয়ে দেখছি। তপন ব্লকের আরসিএ মাগুরপুর হাইস্কুলের ৬ পড়ুয়া টাবের টাকা না পাওয়ায় ডিআই অফিস থেকেও নজরদারি শুরু হয়েছে। অন্য কোনও স্কুলে এমন প্রতারণা হয়েছে কি না, খতিয়ে দেখছে স্কুলশিক্ষা দপ্তর। অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছেন বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক ও কর্মীরা। তপনের ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় সেন বলেন, যে অ্যাকাউন্ট নম্বর আপলোড করা হয়েছিল, সেগুলি কীভাবে বদলে গেল বুঝতে পারছি না। এই চক্রের সঙ্গে কারা যুক্ত খুঁজে বের করতে হবে। যাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে, তারা সবাই উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া ব্লকের। বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ করে পুলিসকে সবরকম সাহায্য করছি।
Advertisement
বালুরঘাট শহরের নালন্দা স্কুলের প্রধান শিক্ষক সৌমিত দাসের কথায়, প্রতারণার ঘটনা সামনে আসার পর আমরা স্কুলের পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে দেখি দু’একজন টাকা পায়নি। তবে পরে দেখা যায়, তাদের অ্যাকাউন্ট নম্বর ভুল দেওয়া হয়েছে।
ডিআই (মাধ্যমিক) নিতাই চন্দ্র দাস বলেন, অন্য কোনও স্কুলে প্রতারণা হয়েছে কি না সোমবার অফিসে গিয়ে খতিয়ে দেখব।
ডিআই (মাধ্যমিক) নিতাই চন্দ্র দাস বলেন, অন্য কোনও স্কুলে প্রতারণা হয়েছে কি না সোমবার অফিসে গিয়ে খতিয়ে দেখব।



