Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ফলহারিণী অমাবস্যায় তারাপীঠ মন্দিরে ব্যাপক ভিড়ের আশায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা

ফলহারিণী অমাবস্যায় তারাপীঠ মন্দিরে ব্যাপক ভিড়ের আশায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা
  • ২৩ মে, ২০২৫ ১৬:০৫
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: আগামী সোমবার সকাল থেকে ফলহারিণী অমাবস্যায় মেতে উঠবে তারাপীঠ। কৌশিকী অমাবস্যার পরই ফলহারিণী অমাবস্যা তিথিতে সবচেয়ে বেশি পুণ্যার্থী সমাগম হয় এখানে। গ্রীষ্মের ছুটির মধ্যেই এই তিথি পড়ায় ব্যাপক ভিড়ের আশা করছে মন্দির কমিটি। ইতিমধ্যে হোটেল বুকিং করেছেন দূর-দূরান্তের পর্যটকরা। অনেকে এখানে এসেও হোটেল বুক করবেন। 

Advertisement

সোমবার বেলা ১১টা ৯মিনিটে ফলহারিণী আমবস্যা তিথি শুরু হবে। থাকবে পরের দিন সকাল ৮টা ৪৬মিনিট পর্যন্ত। সোমবার রাতে দেবীর নিশিপুজো ও যজ্ঞের আলোয় আলোকিত হয়ে উঠবে মন্দির ও শ্মশান চত্বর। প্রবীণ সেবাইত প্রবোধ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ফলহারিণী অমাবস্যায় ধর্ম, কর্ম, অর্থ ও মোক্ষলাভের আশায় দেবীকে ফল উৎসর্গ করে পুজো দেন ভক্তরা। ফলহারিণী অমাবস্যা উপলক্ষ্যে তারাপীঠে তিনবার আরতি হয়। তারা মা-কে দু’বার ভোগ নিবেদন করা হয়। রাতে খিচুড়ি, পাঁঠার মাংসের ভোগ নিবেদন করা হয়। ওইদিন মা-কে নানারকম ফল দিয়ে সাজানোর পাশাপাশি মালা পরানো হয়।  ফি-বছর কৌশিকী অমাবস্যার পাশাপাশি ফলহারিণী অমাবস্যা তিথিতে তারাপীঠে প্রচুর ভক্তের সামাগম ঘটে। সারা বছর দেবীকে পেড়া দিয়ে পুজো নিবেদন করা হয়। কিন্তু বছরের এই দিনটিতে সকল ভক্ত নানারকম ফল দিয়ে দেবীকে পুজো অর্পণ করেন। মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, গুরুত্বের দিক দিয়ে কৌশিকী অমাবস্যার পরই ফলহারিণী অমাবস্যা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতি বছরই এই দিনটিতে তারাপীঠে বহু ভক্ত সমাগম হয়। গ্রীষ্মের ছুটি ও কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি হওয়ায় অতিরিক্ত গরম অনেকটাই কমেছে। ফলে ব্যাপক ভিড় হবে। মন্দিরের নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষীর পাশাপাশি পুলিসের সহায়তা চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। ভক্তদের সুবিধার্থে ওইদিন অনেক রাত পর্যন্ত গর্ভগৃহ খুলে রাখা হবে। তিনি বলেন, এই তিথিতে দেবীর আরাধনা করলে অবশ্যই বিশেষ ফল মেলে। সংসারে সুখ, সমৃদ্ধি আসে।
ফলহারিণী অমাবস্যা উপলক্ষ্যে ইতিমধ্যেই হোটেল বুকিং শুরু হয়েছে। হোটেল ব্যবসায়ী নিতাই মাল বলেন, কয়েকদিন আগে পর্যন্ত তাপপ্রবাহের কারণে তারাপীঠে ভক্ত সমাগম কমে গিয়েছিল। ফলহারিণী অমাবস্যা তিথিতে এই তীর্থক্ষেত্রে আসার জন্য অনেকে হোটেল বুকিং করছেন। বেশিরভাগ বুকিং হচ্ছে দু’দিনের। অনেকে এখানে এসেও হোটেল বুক করবেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ