নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রামে বাহন পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করা নিয়ে টোটো এবং ই -রিকশ মালিকদের ক্ষোভ বাড়ছে। রবিবার শহরের ঘোড়াধরা পার্ক সংলগ্ন আইটিআই মাঠে ই-রিকশ ও টোটো মালিকরা সভা করেন। সভার পর মিছিল বার করা হয়।
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রামে বাহন পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করা নিয়ে টোটো এবং ই -রিকশ মালিকদের ক্ষোভ বাড়ছে। রবিবার শহরের ঘোড়াধরা পার্ক সংলগ্ন আইটিআই মাঠে ই-রিকশ ও টোটো মালিকরা সভা করেন। সভার পর মিছিল বার করা হয়।
বাহন পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের জন্য এককালীন ন্যূনতম দশ হাজার টাকা দিতে হবে। ই-রিকশ ও টোটো চালকদের বক্তব্য একসঙ্গে এত টাকা তাদের দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁরা ছ’মাসের জন্য এককালীন ১ হাজার টাকা ও তারপর প্রতিমাসে ১০০ টাকা দিতে রাজি আছেন। তার বাইরে কোনও টাকা তাঁরা দেবেন না। সরকার রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম না বদলালে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন। ই-রিকশ চালক সৌমেন দত্ত বলেন, বাহন পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করতে গেলে ট্যাক্সের জন্য ৪ হাজার ৮০০টাকা, বিমার জন্য ৬ হাজার ৫০০ টাকা, রেজিস্ট্রেশনের জন্য ২ হাজার ৩০০ টাকা, লাইসেন্সের জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা দিতে হবে। ঝাড়গ্রামের মতো ছোট শহরে টোটো চালিয়ে আমাদের কত টাকা রোজগার হয়। বড় শহরে ও ছোট শহরের নিয়ম কিভাবে এক হতে পারে।
নভেম্বর মাস থেকে আবার শহরের একমাত্র প্রধান সড়কে টোটো চালানো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। তাহলে আমরা কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করবো। আঞ্চলিক পরিবহন দপ্তরে বিষয়টি আমরা জানিয়েছি। ঝাড়গ্রাম আঞ্চলিক পরিবহন দপ্তররের আধিকারিকদের অমিত কুমার দত্ত বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশমতো বাহন পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করা হচ্ছে। নিয়ম সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। রেজিস্ট্রেশন থাকলে শহরের প্রধান সড়কের মোড়গুলো টোটো বা ই -রিকশো চালকরা পারাপার করতে পারবেন।