সংবাদদাতা, কান্দি: তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পঞ্চায়েতের চারটি উপসমিতির বিরুদ্ধে আনা অনাস্থায় ব্লক প্রশাসন শুনানি গ্রহণ করল। সোমবারের ওই ঘটনা ভরতপুর ১ ব্লকের ভরতপুর পঞ্চায়েতের। এদিন সংশ্লিষ্ট বিডিওর কাছে অনাস্থায় আবেদনকারী পঞ্চায়েত সদস্যদের ১৬ জন শুনানিতে অংশ নিয়েছিলেন। এই ঘটনায় এলাকায় শোরগোল পড়েছে।
Advertisement
ওই ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, পঞ্চায়েতের নিয়ম মেনে এদিন আবেদনকারী সদস্যদের ডাকা হয়েছিল। আবেদনপত্রে তাঁদের নিজেদের সই রয়েছে কি না, তা জানা হয়েছে। গোটা পর্বটি ভিডিও রেকর্ডিং করা হয়।
ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১০ ডিসেম্বর ওই পঞ্চায়েতের ১৬ জন সদস্য পঞ্চায়েতের চারটি উপসমিতির বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন। শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য, কৃষি ও প্রাণিসম্পদ বিকাশ, শিল্প ও পরিকাঠামো ও নারী শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ উপসমিতির বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়। এরপর এদিন ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি হয়েছে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর ওই পঞ্চায়েতে কংগ্রেস এককভাবে ১৫টি আসন পেয়েছিল। সিপিএম পেয়েছিল ২টি আসন। অপরদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ১১টি আসন। সিপিএম ও কংগ্রেস জোট বেঁধে পঞ্চায়েত বোর্ড দখল করে। পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাচিত হন কংগ্রেসের অনিতা মণ্ডল। যদিও পরবর্তীতে পঞ্চায়েতের সমস্ত কংগ্রেস ও সিপিএম সদস্যরা ভরতপুর বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন।
এবিষয়ে পঞ্চায়েতের শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সঞ্চালক উজ্জ্বল শেখ বলেন, পঞ্চায়েতের সকল সদস্য এখন তৃণমূল কংগ্রেসের। তা সত্ত্বেও উপসমিতি ভাঙার পরিকল্পনা অতি লজ্জার। আসলে আমরা পঞ্চায়েতে অনিয়ম হতে দেব না। এছাড়াও আমরা ভরতপুর বিধায়ক অনুগামী। সেই কারণেই আমাদের সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আদালতে যেতে চলেছি। যদিও ভরতপুর ১ তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, যে চারটি উপসমিতির বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়েছে। সেগুলির সঞ্চালকরা ঠিকমতো কাজকর্ম করছেন না। সেই কারণে উন্নয়ন ত্বরাণ্বিত করতে উপসমিতি ভাঙা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তবে সকলেই যখন তৃণমূল সদস্য তখন কেন উপসমিতি ভাঙার দরকার পড়ল? এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য তিনি দিতে চাননি।
ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১০ ডিসেম্বর ওই পঞ্চায়েতের ১৬ জন সদস্য পঞ্চায়েতের চারটি উপসমিতির বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন। শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য, কৃষি ও প্রাণিসম্পদ বিকাশ, শিল্প ও পরিকাঠামো ও নারী শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ উপসমিতির বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়। এরপর এদিন ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি হয়েছে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর ওই পঞ্চায়েতে কংগ্রেস এককভাবে ১৫টি আসন পেয়েছিল। সিপিএম পেয়েছিল ২টি আসন। অপরদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ১১টি আসন। সিপিএম ও কংগ্রেস জোট বেঁধে পঞ্চায়েত বোর্ড দখল করে। পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাচিত হন কংগ্রেসের অনিতা মণ্ডল। যদিও পরবর্তীতে পঞ্চায়েতের সমস্ত কংগ্রেস ও সিপিএম সদস্যরা ভরতপুর বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন।
এবিষয়ে পঞ্চায়েতের শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সঞ্চালক উজ্জ্বল শেখ বলেন, পঞ্চায়েতের সকল সদস্য এখন তৃণমূল কংগ্রেসের। তা সত্ত্বেও উপসমিতি ভাঙার পরিকল্পনা অতি লজ্জার। আসলে আমরা পঞ্চায়েতে অনিয়ম হতে দেব না। এছাড়াও আমরা ভরতপুর বিধায়ক অনুগামী। সেই কারণেই আমাদের সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আদালতে যেতে চলেছি। যদিও ভরতপুর ১ তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, যে চারটি উপসমিতির বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়েছে। সেগুলির সঞ্চালকরা ঠিকমতো কাজকর্ম করছেন না। সেই কারণে উন্নয়ন ত্বরাণ্বিত করতে উপসমিতি ভাঙা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তবে সকলেই যখন তৃণমূল সদস্য তখন কেন উপসমিতি ভাঙার দরকার পড়ল? এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য তিনি দিতে চাননি।



