Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর ক্ষমতা জাহির, চর্চা দলের অন্দরেই

বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলায় দু’টি মিছিল ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে দিনভর চর্চা চলল। একটি মিছিল হয় বর্ধমান শহরে। অন্যটি কাটোয়ায়।

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর ক্ষমতা জাহির, চর্চা দলের অন্দরেই
  • ১৭ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলায় দু’টি মিছিল ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে দিনভর চর্চা চলল। একটি মিছিল হয় বর্ধমান শহরে। অন্যটি কাটোয়ায়। বর্ধমানের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন দলের বর্ষীয়ান নেতা স্বপন দেবনাথ, যুব তৃণমূলের সভাপতি রাসবিহারী হালদার, দলের আইটি সেলের নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য প্রমুখ। কাটোয়ায় মিছিলে হাঁটলেন জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, দলের চেয়ারম্যান অপূর্ব চৌধুরী, বিধায়ক খোকন দাস সহ অন্যানরা। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখে কেউ কিছু না বললেও এদিন ছিল দু’পক্ষের শক্তি জাহিরের পরীক্ষা। কয়েক দিন ধরে দু’পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। এদিন ময়দানে নেমে তারা একে অপরকে ক্ষমতা দেখাল। দুই কর্মসূচিতেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তের কর্মী এবং সমর্থকরা যোগ দেন। 

Advertisement

মঙ্গলবারও বর্ধমানে বিধায়ক খোকন দাসের উদ্যোগে মিছিলের আয়োজন করা হয়। সেই সভা থেকে জেলা সভাপতি বলেন, খোকন দাসই আবার টিকিট পাবে বলে মনে হয়। তিনি বিভিন্ন কর্মসূচি করেন। এদিন যুব তৃণমূলের সভাপতি রাসবিহারী হালদার বলেন, আমাদের দলে কে টিকিট পাবেন, তা নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করেন। যিনি এসব কথা বলছেন, তিনি নিজে টিকিট পাবেন কি না, সেটাও নেত্রী ঠিক করবেন। 
মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, প্রতি বছরই আমরা ২১ জুলাই কলকাতায় যাই। এবারও পূর্ব বর্ধমান থেকে বহু কর্মী সমর্থক কলকাতা যাবেন। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাঙালিদের উপর অত্যাচার চলছে। বাঙালির প্রতি বিজেপি বিদ্বেষ  মানবে না। দলের নির্দেশে আমরা পথে নেমেছি। যুবরা প্রতিবাদ করেছে। তাদের ধন্যবাদ জানায়। একই সঙ্গে এদিন কাটোয়াতেও একটি কর্মসূচি চলছে। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে সেখানে মিছিল হচ্ছে। আমরা সেখানে হাজির হতে পারিনি। এখানে এসেছি। যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতিকে বলছি, তোমরা এগিয়ে চল। আমরা সঙ্গে আছি। 
দলের কর্মীরা বলেন, দু’পক্ষের টানাপোড়েন বিরোধীরা উধাও হয়ে গিয়েছে। এখন জেলাজুড়ে শাসক দলের দু’পক্ষকে নিয়েই আলোচনা চলছে। সুস্থ প্রতিযোগিতা দলের পক্ষে ভালো হবে বলে তাঁদের দাবি। 
সম্প্রতি বহু নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া নেতা কর্মীরাও পথে নামছেন। এটাও দলের কাছে বাড়তি পাওনা। দু’পক্ষই নিজেদের পালে হাওয়া লাগাতে বুথস্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছেন। এমনটা চলতে থাকলে জেলায় বিরোধীরা আরও ব্যাকফুটে যাবে বলে শাসক দলের অনেকেই মনে করছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ