সংবাদদাতা, তেহট্ট: তেহট্টে ফুটপাত দখল করে চলছে ব্যবসা। যার ফলে প্রাণ হাতে করে রাস্তা দিয়েই হাঁটতে হচ্ছে পথচারীদের। সব জেনেও হেলদোল নেই প্রশাসনের, এমনই অভিযোগ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
Advertisement
স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, তেহট্ট হাউলিয়া পার্ক মোড় থেকে তেহট্ট ফেরিঘাট পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তার উপরে বেশ কয়েক জায়গায় ফুটপাত বলে কিছু দেখা যায় না। সব ব্যবসায়ীদের দখলে। এই রাস্তা দিয়েই স্কুলে যেতে হয় ছাত্রছাত্রীদের, ব্যাঙ্ক, থানা, বিডিও অফিস সব এই রাস্তা দিয়েই যেতে হয়। এমন ভাবে ব্যবসায়ীরা তাঁদের দোকান বাড়িয়েছে যে, সেই দোকান থেকে জিনিস কিনতে গেলে বাইক বা সাইকেল পাকা রাস্তার উপর রাখতে হয়। ফলে কমছে রাস্তার পরিসর। সেই সঙ্কীর্ণ রাস্তা দিয়েই হেঁটে যেতে হচ্ছে মানুষকে। যে কোনও সময়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় কাঁটা বাসিন্দারা।
বেশ কয়েক বছর আগে একটি দুর্ঘটনা ঘটার পর প্রশাসন ও পুলিস ব্যবসায়ীদের রাস্তা থেকে তিন ফুট ছেড়ে বসার নির্দেশ দিয়েছিল। ব্যবসায়ীরা সেই ভাবে বসছিল। কিন্তু বছর যেতে না যেতেই ফের যে কে সেই। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ করলে উল্টে দু’ কথা শুনিয়ে দেয় বেশ কিছু ব্যবসায়ী। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় এইভাবে কী করে দোকান বসে। এই রাস্তা দিয়ে প্রশাসনের ও পুলিসের কর্তাব্যক্তিরা যাতায়াত করেন। তাঁদের চোখ কী করে এড়িয়ে যায়। অবিলম্বে এই ফুটপাত দখলমুক্ত করা উচিত। এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, রাস্তায় একে টোটোর অত্যচার, তারপরে দোকান বাড়িয়ে রাস্তা সঙ্কীর্ণ করে দিচ্ছে বেশ কিছু ব্যবসায়ী। আমাদের যাতায়াত করাই কঠিন হয়ে পড়ছে। আমরা এই রাস্তায় চলি প্রাণ হাতে করে। অবিলম্বে প্রশাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। তেহট্ট-১ ব্লকের বিডিও সঞ্জীব সেন বলেন, আমরা বিষয়টি দেখছি। খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যার সমাধান করা হবে।
বেশ কয়েক বছর আগে একটি দুর্ঘটনা ঘটার পর প্রশাসন ও পুলিস ব্যবসায়ীদের রাস্তা থেকে তিন ফুট ছেড়ে বসার নির্দেশ দিয়েছিল। ব্যবসায়ীরা সেই ভাবে বসছিল। কিন্তু বছর যেতে না যেতেই ফের যে কে সেই। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ করলে উল্টে দু’ কথা শুনিয়ে দেয় বেশ কিছু ব্যবসায়ী। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় এইভাবে কী করে দোকান বসে। এই রাস্তা দিয়ে প্রশাসনের ও পুলিসের কর্তাব্যক্তিরা যাতায়াত করেন। তাঁদের চোখ কী করে এড়িয়ে যায়। অবিলম্বে এই ফুটপাত দখলমুক্ত করা উচিত। এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, রাস্তায় একে টোটোর অত্যচার, তারপরে দোকান বাড়িয়ে রাস্তা সঙ্কীর্ণ করে দিচ্ছে বেশ কিছু ব্যবসায়ী। আমাদের যাতায়াত করাই কঠিন হয়ে পড়ছে। আমরা এই রাস্তায় চলি প্রাণ হাতে করে। অবিলম্বে প্রশাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। তেহট্ট-১ ব্লকের বিডিও সঞ্জীব সেন বলেন, আমরা বিষয়টি দেখছি। খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যার সমাধান করা হবে।



