সংবাদদাতা, তেহট্ট: সপ্তাহখানেক আগে নিকাশি নালার কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তার পাশ দিয়ে গর্ত করা হয়েছে। তুলে রাখা মাটি সারা রাস্তায় জমা হয়ে আছে। ফলে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাতায়াতে সমস্যায় পড়ছেন বাসিন্দারা। সেইসঙ্গে বিপদের আশঙ্কা করছেন তাঁরা। তেহট্ট শহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় দ্রুত নিকাশি নালার কাজ শেষ করার দাবিতে সরব হয়েছেন বাসিন্দারা।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষ্ণরায় মন্দির থেকে ত্রিপুরা পাড়া পর্যন্ত ১১৮মিটার ওই নিকাশি নালা তৈরি হচ্ছে। যারজন্য ১২ লক্ষ টাকা অনুমোদন হয়েছে। এই রাস্তাটি তেহট্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। এই রাস্তা দিয়ে চাতরপাড়া, দত্তপাড়া, খাসপুর, কুলগাছি সহ বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা ব্যাঙ্কে যান। তেমনই এই রাস্তা দিয়ে সহজেই মহকুমা অফিস, স্কুল, পরিবহণ দপ্তর, আদালত, মহকুমা হাসপাতালে যাওয়া যায়। অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তার রাস্তার পাশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে নিকাশি নালা। কিন্তু সাতদিন আগে নিকাশি নালা তৈরির জন্য গর্ত করা হয়েছে। তারপর আর কোনও কাজ হয়নি। গর্তের পাশেই এগারো হাজারের বৈদ্যুতিক লাইনের খুঁটি রয়েছে। যেটা কাত হয়ে গিয়েছে। আকাশের মুখ ভার। যে কোনও সময় বৃষ্টি হতে পারে। এই খুঁটি উল্টে যে কোনও সময় বিপদের আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাছাড়া রাস্তা বন্ধ থাকায় এলাকার মানুষ যাতায়াতে সমস্যায় পড়ছেন।
এলাকার বাসিন্দা বাবন সোনারজক বলেন, যেভাবে সাতদিন ধরে গর্ত খুঁড়ে রাখা হয়েছে তাতে যে কোনও সময় বিপদ ঘটতে পারে। তারপর ১১হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক লাইনের খুঁটি কাত হয়ে গিয়েছে। আমরা বারবার বলার পর সোমবার ওই খুঁটিটি কিছুটা ঠিক করা হয়েছে। কিন্তু যে অবস্থায় আছে তাতে বৃষ্টি হলে বড় অঘটন ঘটে যেতে পারে। অবিলম্বে এই কাজ শুরু করা দরকার। ওই কাজের ঠিকাদার অজয় হালদার বলেন, জলের লাইন থাকায় গর্ত করে কাজ শুরু করা যায়নি। পিএইচই দপ্তরকে জানানো হয়েছে। পাইপ সরিয়ে নিলেই কাজ শুরু হবে।
এবিষয়ে তেহট্ট-১ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সুকমল বিশ্বাস বলেন, কাজ চালু করতে আমরা বারবার ঠিকাদারকে বলেছি। কালকের মধ্যেই কাজ শুরু করার জন্য বলেছি। আপাতত ঠিকাদারকে মাটি সরিয়ে নিতে বলেছি। যাতে রাস্তায় মানুষজন যাতায়াত করতে পারেন।
এলাকার বাসিন্দা বাবন সোনারজক বলেন, যেভাবে সাতদিন ধরে গর্ত খুঁড়ে রাখা হয়েছে তাতে যে কোনও সময় বিপদ ঘটতে পারে। তারপর ১১হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক লাইনের খুঁটি কাত হয়ে গিয়েছে। আমরা বারবার বলার পর সোমবার ওই খুঁটিটি কিছুটা ঠিক করা হয়েছে। কিন্তু যে অবস্থায় আছে তাতে বৃষ্টি হলে বড় অঘটন ঘটে যেতে পারে। অবিলম্বে এই কাজ শুরু করা দরকার। ওই কাজের ঠিকাদার অজয় হালদার বলেন, জলের লাইন থাকায় গর্ত করে কাজ শুরু করা যায়নি। পিএইচই দপ্তরকে জানানো হয়েছে। পাইপ সরিয়ে নিলেই কাজ শুরু হবে।
এবিষয়ে তেহট্ট-১ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সুকমল বিশ্বাস বলেন, কাজ চালু করতে আমরা বারবার ঠিকাদারকে বলেছি। কালকের মধ্যেই কাজ শুরু করার জন্য বলেছি। আপাতত ঠিকাদারকে মাটি সরিয়ে নিতে বলেছি। যাতে রাস্তায় মানুষজন যাতায়াত করতে পারেন।



