Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এবছরই তেহট্টের সরকার বাড়িতে প্রথম কুমারীপুজো

তেহট্ট মহকুমার বাড়ির পুজোর মধ্যে অন্যতম বেতাই লালবাজারের সরকার বাড়ির পুজো।

এবছরই তেহট্টের সরকার বাড়িতে প্রথম কুমারীপুজো
  • ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, তেহট্ট: তেহট্ট মহকুমার বাড়ির পুজোর মধ্যে অন্যতম বেতাই লালবাজারের সরকার বাড়ির পুজো। এই পুজোকে ঘিরে এলাকার মানুষের উন্মাদনা থাকে চোখে পড়ার মতো। ১৯৬৮ সাল থেকে পুজো শুরু হয়। ১৯৭৬ সালে কোনও কারণে বন্ধ হয়ে যায়। তবে লক্ষ্মীপুজো একই ভাবে হয়ে আসছিল। ২০১৫ সালে সরকার বাড়ির ছেলেমেয়েরা বন্ধ থাকা দুর্গাপুজো আবার শুরু করেন। সেই থেকে সরকার বাড়িতে পুজো হয়ে আসছে। এবছর শুরু হবে কুমারীপুজো। 

Advertisement

এই সরকার বাড়ির দুর্গাপুজো পরিবারের অভিভাবক শরৎচন্দ্র সরকার ১৯৬৮ সালে শুরু করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দুই সহধর্মিণী অনিতাবালা সরকার ও বিন্দুবাসিনী সরকার। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত পুজোর হয়েছে। ২০১৫ সালে শরৎবাবুর সাত ছেলে ও ছয় মেয়ে মিলে ঠিক করেন আবার বাবার শুরু করা পুজো চালু করবেন। সেই মতো ওই বছর আবার পুজো শুরু হয়। এখন পুজোর সবকিছু দেখাশোনা করেন বিন্দুবাসিনীদেবী। সাত ছেলের বউ ও মেয়েরা তাঁকে সাহায্য করেন। 
এই বাড়ির ছেলে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অখিলচন্দ্র সরকার বলেন, আগে কুমারী পুজো হতো না। এবছর তা প্রথম চালু হবে। আমরা অষ্টমীর সন্ধ্যায় এলাকার মানুষদের প্রসাদ বিতরণ করি। নবমীর দিন মিষ্টান্ন প্রসাদ বিতরণ করি। দশমীর দিন বাড়ির সকল সদস্য মিলে শোভাযাত্রা সহকারে প্রতিমা বিসর্জন করা হয়। ওই শোভাযাত্রায় অন্যতম আকর্ষণ জীবন্ত দুর্গা। তা আমাদের পরিবারের কেউ সাজে। প্রতিমা বিসর্জনের পর মহোৎসব হয়। যেখানে এলাকার সব মানুষ প্রসাদ গ্রহণ করেন। এছাড়া প্রতিবার এলাকার দুঃস্থদের কম্বল, নতুন জামাকাপড় বিলি করা হয়। বছরের অন্যান্য সময় সবাই যে যার কর্মক্ষেত্রে থাকলেও পুজোর সময় সকলেই বাড়িতে চলে আসে। এই পুজো পারিবারিক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ