নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০১১ সালের পর এবার ২০২৫। আগে বাংলা থেকে বাম বিদায় ঘটিয়েছে তৃণমূল। এবার বাম শাসিত কেরলে দিকে নজর দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। আসন্ন নীলাম্বুর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী দিল তৃণমূল।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০১১ সালের পর এবার ২০২৫। আগে বাংলা থেকে বাম বিদায় ঘটিয়েছে তৃণমূল। এবার বাম শাসিত কেরলে দিকে নজর দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। আসন্ন নীলাম্বুর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী দিল তৃণমূল।
আগামী ১৯ জুন কেরলের নীলাম্বুর বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন। এই নির্বাচনের জন্য তৃণমূল প্রার্থী করেছে পি ভি আনভারকে। রবিবার তৃণমূলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। বেশ কিছুদিন ধরে তৃণমূলের নজরে রয়েছে কেরল রাজ্যের নীলাম্বুর আসনটি। এই বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন পি ভি আনভার। দু’বারের বিধায়ক তিনি। লেফট ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের বিধায়ক ছিলেন তিনি। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আনভার যোগ দেন তৃণমূলে। দলে তাঁকে স্বাগত জানান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় নীলাম্বুর কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে। আনভার এখন কেরল তৃণমূলের আহ্বায়ক পদে আছেন। তাঁকে সামনে রেখেই কেরল রাজ্যে সংগঠন বিস্তারে পরিকল্পনা নিয়েছে তৃণমূল। নেতৃত্বের ব্যাখ্যা, যেহেতু দু’বারের বিধায়ক ছিলেন আনভার, ফলে তাঁকে প্রার্থী করার মধ্যে দিয়ে জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে লেফট ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের বিধায়ক থাকবার সময় আনভার ভোট পেয়েছিলেন ৪৬ শতাংশের বেশি। ফলে আনভারের হাত দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করে বাম শাসিত কেরলে খাতা খোলার চেষ্টা জোড়াফুল ব্রিগেডের।
তাছাড়া কেরল প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে অন্য একটি কারণ হল, তৃণমূলের লক্ষ্য জাতীয় দলের তকমা ফিরে পাওয়া। এই তকমা ফিরে পেতে বাংলার বাইরে দেশের অন্য রাজ্যে তৃণমূলের ৬ শতাংশের বেশি ভোট প্রয়োজন। সেই কারণে অসম, মেঘালয়, গোয়া, ত্রিপুরার দিকে তৃণমূল নজর দিয়েছে। সেইসূত্রে এবার লক্ষ্য কেরলেও জোড়াফুল ফোটানো।