নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রেজিনগরে দাঁড়িয়ে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এছাড়াও বৃহস্পতিবারের সভা থেকে একযোগে সিপিএম এবং কংগ্রেসকেও একের পর এক তোপ শুভেন্দুর। তিনি বলেন,‘১৫ বছর রাজ্যকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আমি বলেছিলাম এই তৃণমূলের নাম ও নিশান থাকবে না।’
সামনেই রেজিনগরে উপনির্বাচন। আজ, বৃহস্পতিবার দলীয় প্রার্থী শাখারভ সরকারের হয়ে প্রচার করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের এই সভা থেকে মমতাকে নিশানা করে তিনি বলেন,‘১৫০ দিনে জোড়াফুলও নেই, তৃণমূলও নেই। ২৮ জন সাংসদের মধ্যে ২০ জন বলেন, আমাদের নেতা অন্য। ৮০ জন বিধায়ক, তার ৬৪ জন বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানি না।’
যে প্রতীক নিজের হাতে এঁকেছিলেন মমতা। সেই প্রতীকও আজ হাতছাড়া। ‘ঠান্ডা ঘরে’ জোড়াফুল। ভেঙে চুরমার দল। একদিকে মমতা-তৃণমূল অন্যদিকে ঋতব্রত-তৃণমূল। জোড়াফুল প্রতীক নিয়েও রসিকতার সুরে শুভেন্দু বলেন,‘নির্বাচন কমিশন বলে, কাকে প্রতীক দেওয়া যায়? কে আসল, কে নকল? একজনের নাম হয়েছে মমতা এআইটিসি-গরুর গাড়ির হেডলাইট! আর একটার নাম হয়েছে ডিটিএমসি। গোটা রেজিনগর কেন, পশ্চিমবঙ্গের কোথাও এদের নাম-নিশান আর খুঁজে পাবেন না।’
তৃণমূলের শাসনকালে দুর্নীতির ভুরিভুরি অভিযোগ। কোথাও চাকরি চুরির অভিযোগ। আবার কোথাও আবাস চুরি। তৃণমূলের এই অবস্থার জন্য নাকি দায়ী তৃণমূলই! মুখ্যমন্ত্রী বলেন,‘পাপের ফল! উপরওয়ালার মার।’
একই দিনে দিল্লি থেকে বিজেপিকেও তুলোধনা করেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও করেছেন মমতা। নির্বাচনে ‘মহা কারচুপি’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,‘ঝড় আসছে।’ এবার সেই ঝড় কেবল রাজধানীতে উঠবে নাকি রাজ্যের দিকে ধাওয়া দেবে, এখন সেটাই দেখার।