সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: দুর্যোগ যেখানে বিধ্বংসী রূপ নিয়েছিল সেখানে গেলেন না রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ক্ষোভে বিরোধী দলনেতার হাত থেকে নেওয়া ত্রাণ ফিরিয়ে দিলেন দুর্গতরা। যা নিয়ে বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্য ছড়ায় জলপাইগুড়ি জেলাজুড়ে।
সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: দুর্যোগ যেখানে বিধ্বংসী রূপ নিয়েছিল সেখানে গেলেন না রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ক্ষোভে বিরোধী দলনেতার হাত থেকে নেওয়া ত্রাণ ফিরিয়ে দিলেন দুর্গতরা। যা নিয়ে বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্য ছড়ায় জলপাইগুড়ি জেলাজুড়ে।
বৃহস্পতিবার ধূপগুড়ির গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের কুর্শামারিতে আসেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সেখানে তিনি ত্রাণ বিতরণ করেন। কিন্তু ত্রাণ নেওয়ার পর দুর্গতরা একে একে সেই ত্রাণ ফিরিয়ে দেন। ধূপগুড়ির বিজেপি নেতারা অনেক চেষ্টা করেও মহিলাদের ত্রাণ ফিরিয়ে দিতে পারেনি। তাঁদের দাবি, ত্রাণ নয় আমরা পরিত্রাণ চাই। কিন্তু রাজ্যের বিরোধী দলনেতা আমাদের কারও সঙ্গে কথা বলেননি। ত্রাণ ফিরিয়ে দিয়ে কিরণবালা রায়, মামণি রায়ের মতো দুর্গতারা বলেন, আমাদের কী ভিক্ষা দিতে এসেছিলেন উনি। আমাদের কোনও কথাই শুনলেন না। প্রয়োজন নেই সেই ত্রাণের। আরএক মহিলা গুণবালা রায় বলেন, আমরা ত্রাণ নয়, বাঁধ আর ঘর চাই। এতদিন পর কী বিরোধী দলনেতা ফটোশ্যুট করার জন্য এলেন।
অন্যদিকে, হোগলাপাতা এলাকার দুর্গতরা বিরোধী দলনেতা চলে যাওয়ার পর তাঁর নাম নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁদের বক্তব্য, দুর্যোগে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হোগলাপাতা ও কুল্লারটারি। এদিক দিয়ে বিরোধী দলনেতা যাওয়ার সময় আমরা হাত দেখিয়ে থামতে বললেও তিনি থামেনি। তাঁদের অভিযোগ, সাংসদকেও দেখা যায়নি গ্রামে।
ধূপগুড়ির তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি (গ্রামীণ) মলয় রায় বলেন, বিরোধী দলনেতা এতদিন পর রাজনীতি করতে এসেছিলেন। সেটা সাধারণ মানুষ বুঝেছে। বিজেপির ধূপগুড়ির যুব মোর্চার সভাপতি সুব্রত রায় বলেন, দুই-চারজন মহিলা ক্ষোভ দেখিয়েছেন। পরে তাঁরা তাঁদের ভুল বুঝতে পেরেছেন।