Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নারীশক্তি সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির থিম আদিবাসীর আঙিনায়

যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে। এই প্রবাদ সার্থক করে তুলেছেন ময়নাগুড়ি শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নারীশক্তি সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির মহিলারা। বুধবার ধুমধাম করে খুঁটিপুজোর মধ্য দিয়ে দুর্গাপুজোর মণ্ডপ তৈরির কাজ শুরু করলেন পুজো কমিটির সদস্যরা। এবার তৃতীয় বর্ষের পুজো।

নারীশক্তি সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির থিম আদিবাসীর আঙিনায়
  • ২৮ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সোমনাথ চক্রবর্তী , ময়নাগুড়ি: যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে। এই প্রবাদ সার্থক করে তুলেছেন ময়নাগুড়ি শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নারীশক্তি সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির মহিলারা। বুধবার ধুমধাম করে খুঁটিপুজোর মধ্য দিয়ে দুর্গাপুজোর মণ্ডপ তৈরির কাজ শুরু করলেন পুজো কমিটির সদস্যরা। এবার তৃতীয় বর্ষের পুজো। 

Advertisement

পুজো কমিটির সদস্য জনা চল্লিশ মহিলা। ওয়ার্ডের একটি বেসরকারি স্কুলের মাঠেই হবে পুজোর মণ্ডপ। নারীশক্তি সর্বজনীনের এবারের থিম ‘আদিবাসীর আঙিনা’। আদিবাসী সমাজের ছবি মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। 
এ বছর পুজোর সভাপতির দায়িত্বে আছেন মিলন দে, সহ সভাপতি রত্না কর্মকার। সম্পাদক সীমা নন্দী, সহ সম্পাদক প্রতিমা ঘোষ। কোষাধ্যক্ষ চন্দনা চৌধুরী। এদিন গণেশ চতুর্থীতে খুঁটিপুজো করা হয়। পাড়ার লোকজনকে নিয়ে মিষ্টিমুখেরও আয়োজন করা হয়েছিল। এবার মণ্ডপ তৈরি করছেন ময়নাগুড়ির শিল্পী নিরবিন্দু রায়। তিনি জানিয়েছেন, পরিবেশবান্ধব উপকরণ দিয়ে মণ্ডপ তৈরি করা হবে। ব্যবহার করা হবে বাঁশ, বেত, প্লাইবোর্ড, মাটির সামগ্রী, ঘণ্টা, পিচবোর্ড, কাপড়ের মতো বস্তু। থিমের মণ্ডপের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে থাকবে আলোর কাজ। 
পুজো কমিটির সদস্যারা জানিয়েছেন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে পুজো হলেও পার্শ্ববর্তী ১০ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলারাও পুজোয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিন বছর আগে পাড়ার মহিলারা একত্রিত হয়ে দুর্গাপুজো করবেন বলে স্থির করেন। কারণ, এলাকায় কোনও পুজো ছিল না। এলাকার শিশু-কিশোর, বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা যাতে পুজোর দিনগুলি বাড়ির পাশেই পুজোর আনন্দে মেতে উঠতে পারেন সেই কথা ‌মাথায় রেখে পুজো করবেন বলে তাঁরা স্থির করেন। এরপর মহিলারা বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেন পুজো করার। ২০২৩ সালে শুরু হয় পুজো। 
এদিন খুঁটিপুজোয় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ঝুলন সান্যাল। তিনি বলেন, পাড়ার মহিলারা এই পুজো করছেন। তাঁদের পাশে আছি। গত দু’বছর এখানে খুব আনন্দ করেছি। - নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ