নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: এসআইআরের ইনিউমারেশন ফর্ম জমার পর শুরু হবে আসল কাজ। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর নাম সংযোজন ও বিয়োজনের জন্য ভূরিভূরি ফর্ম জমা পড়বে। তখনই আসল পরীক্ষা। তারজন্য দলের কর্মীদের প্রস্তুত থাকতে হবে। মঙ্গলবার শালতোড়ায় একথা বলে তৃণমূল কর্মীদের সতর্ক করে দেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। এদিন মানসবাবু শালতোড়া বিধানসভা এলাকা চষে বেড়ান। এসআইআরের কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি তিনি ‘দিদির দূত’ নামে দলের তরফে চালু কর্মসূচির রূপায়ণ নিয়ে খোঁজখবর করেন। শালতোড়ার কাজ নিয়ে মানসবাবু সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এদিন মানসবাবু পুরুলিয়া থেকে শালতোড়ায় যান। ব্লক তৃণমূল সভাপতি সন্তোষকুমার মণ্ডল সহ দলের নেতানেত্রীদের সঙ্গে একপ্রস্থ আলোচনা সারেন। শালতোড়া ব্লকের এসআইআর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর মানসবাবু মেজিয়া ও গঙ্গাজলঘাটি ব্লকে যান। সেখানেও তিনি কাজের অগগ্রতি নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
মানসবাবু বলেন, দলীয় কাজের জন্য আমি গত একসপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলায় ঘুরছি। এসআইআরের কাজে নজর রাখতে আমি বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছি। বিএলওদের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন যে কাজ করছে, সেদিকে নজর রাখার পাশাপাশি দলের কর্মসূচি ‘দিদির দূত’ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হচ্ছে। আমার আসার দিন বেশ কিছু জায়গায় কাজ পিছিয়ে ছিল। তবে গত কয়েকদিনে দলের মাদার সংগঠনের পাশাপাশি ছাত্র, যুব, শ্রমিক, মহিলা সহ সব শাখার নেতা-কর্মীরা দলীয় নির্দেশকে মাথায় রেখে নিরলস কাজ করেছেন। শালতোড়ায় ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। বাঁকুড়া শহর কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। আমরা শহরের নেতা-নেত্রীদের নিয়ে আলোচনায় বসব। আমি আরও দু’দিন জেলায় থাকব। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলায় দিদির দূতের কাজ সম্পূর্ণ করেই কলকাতায় ফিরব।
তিনি আরও বলেন, খসড়া ভোটার তালিকা বের হওয়ার পর নাম তোলা ও বাদ দেওয়ার হিড়িক পড়বে। তখন আসল কাজ শুরু হবে। তারজন্য প্রচুর আবেদনপত্র জমা পড়বে। সেসব নিয়ে সাধারণ মানুষকে সাহায্য করার জন্য দলের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতে হবে।