সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: ইতালির রাজপ্রাসাদের আদলে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। মণ্ডপসজ্জায় স্থানীয়দের পাশাপাশি ভিনরাজ্যের শিল্পীরাও যুক্ত রয়েছেন। বলরামপুরের সরাইপাড়া ষোলোআনা দুর্গাপুজো কমিটির তৃতীয় বর্ষের পুজো ঘিরে এলাকার বাসিন্দাদের উৎসাহ চোখে পড়ার মতো।
সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: ইতালির রাজপ্রাসাদের আদলে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। মণ্ডপসজ্জায় স্থানীয়দের পাশাপাশি ভিনরাজ্যের শিল্পীরাও যুক্ত রয়েছেন। বলরামপুরের সরাইপাড়া ষোলোআনা দুর্গাপুজো কমিটির তৃতীয় বর্ষের পুজো ঘিরে এলাকার বাসিন্দাদের উৎসাহ চোখে পড়ার মতো।
এবার পুজো কমিটির সভাপতি পদে রয়েছেন সুভাষচন্দ্র মাঝি। সম্পাদক পদে বিরিঞ্চি গড়াই। সম্পাদক জানান, ২০০৯সালে আমরা পুজো শুরু করেছিলাম। কিন্তু সেবার অনুমতি না মেলায় আচমকা পুজো বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তারপর ২০২৩সাল থেকে পুজো শুরু হয়। প্রতিমা ও আলোকসজ্জার কাজে পুরুলিয়ার শিল্পীরাই রয়েছেন। তবে ইতালিয়ান রাজপ্রাসাদের আদলে মণ্ডপ তৈরি করছেন ভিনরাজ্যের শিল্পীরা। গতবছর এখানে প্রায় ১৫লক্ষ টাকা বাজেটে মায়াপুর ইসকন মন্দিরের আদলে মণ্ডপ তৈরি হয়েছিল। এবার বাজেট বাড়িয়ে ২০লক্ষ টাকা করা হয়েছে।
২০২৩সাল থেকে শুরু হলেও মণ্ডপসজ্জা ও দর্শনার্থীদের ভিড়ের নিরিখে এটি বলরামপুর তথা জেলার অন্যতম বড় পুজো হয়ে উঠেছে। গতবছর নবমীতে মণ্ডপে ঢোকার জন্য দর্শনার্থীদের দীর্ঘক্ষণ লাইন দিয়ে দাঁড়াতে হয়েছিল, যা বলরামপুর ব্লকে একেবারেই নজিরবিহীন ঘটনা।
সম্পাদক আরও জানান, নবমীতে মায়ের মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। সেদিন প্রায় তিন-চারহাজার মানুষ একসঙ্গে বসে প্রসাদ খান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বরাবাজার, বাঘমুণ্ডি, এমনকী পুরুলিয়া শহর, ঝাড়খণ্ড থেকেও অনেকে পুজো দেখতে আসেন। মণ্ডপ চত্বরে শিশুদের মনোরঞ্জনের জন্য নানা ব্যবস্থা থাকে।