Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কাটমানি মেলেনি, বুজিয়ে দিলেন সজলধারার বোরিং

সজলধারা প্রকল্পের জন্য করা ‘বোরিং’ সিমেন্ট ঢেলে বুজিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে

কাটমানি মেলেনি, বুজিয়ে দিলেন সজলধারার বোরিং
  • ১১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: সজলধারা প্রকল্পের জন্য করা ‘বোরিং’ সিমেন্ট ঢেলে বুজিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি রানাঘাট ১ ব্লকের হবিবপুর পঞ্চায়েত এলাকার। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনা জানিয়ে সজলধারা প্রকল্পের ঠিকাদার জেলাশাসক, মহকুমা শাসক এবং বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মমতা বিশ্বাস ঘোষের স্বামী বিনোদ ঘোষ। হবিবপুর অঞ্চলের দত্তপাড়ার একটি নির্মীয়মাণ আইসিডিএস সেন্টারের পাশে একটি সজলধারা প্রকল্পের কল বসানোর টেন্ডার হয়। তাতেই সর্বনিম্ন মূল্যে টেন্ডারটি পান দেবপ্রসাদ বিশ্বাস। তাঁর দাবি, অন্যের নামে ওই প্রকল্পের টেন্ডারে নাকি অংশ নিয়েছিলেন হবিবপুর পঞ্চায়েতের প্রধান মমতা বিশ্বাসের স্বামী বিনোদ ঘোষ। কিন্তু তিনি টেন্ডার পাননি। প্রায় সাড়ে ৬ লক্ষ টাকার টেন্ডার উঠলেও সর্বনিম্ন ২ লক্ষ ৯৩ হাজার ৬১৭ টাকায় টেন্ডারটি ধরেন দেবপ্রসাদ। অভিযোগ, টেন্ডার না পেয়ে দেবপ্রসাদের থেকে ৫০ হাজার টাকা ‘কাটমানি’ চান বিনোদ। কিন্তু এত টাকা কাটমানি দিতে অস্বীকার করেন ওই ঠিকাদার। দেবপ্রসাদ বলেন, টাকা দিইনি বলে প্রধানের স্বামী আমাকে শায়েস্তা করতে মঙ্গলবার রাতের অন্ধকারে সজলধারা প্রকল্পের জন্য করা বোরিংয়ে সিমেন্ট এবং পাথর ভরে আটকে দেয়। ৫০ হাজার টাকা দিইনি বলে ৮০ হাজার টাকার বোরিং নষ্ট করে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই আমি ২ লক্ষাধিক টাকা খরচ করে ফেলেছিলাম এই প্রকল্পের জন্য। আমাকে হুমকি দিয়েছে, আশেপাশের যে পঞ্চায়েত এলাকাতেই আমি কাজ ধরি না কেন, সব জায়গাতেই গিয়ে এইভাবে আমার কাজ বন্ধ করে দেবে।

Advertisement

ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে ওই ঠিকাদার নদীয়ার জেলাশাসক, রানাঘাটের মহকুমা শাসক এবং রানাঘাট ১ ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন ওই ঠিকাদার। যদিও বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত বিনোদ ঘোষের স্ত্রী তথা হবিবপুর পঞ্চায়েতের প্রধান মমতা বিশ্বাস ঘোষ বলেন, আমি এই ধরনের লিখিত অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখব আদৌ সত্যি কিনা। আমার তরফ থেকে সত্য খোঁজার চেষ্টা হবে। তবে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয়। এদিকে, রানাঘাট ১ ব্লকের  বিডিও জয়দেব মণ্ডল বলেন, আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখার কাজ চলছে। তদন্তের পর বাকি বিষয় বলা সম্ভব। 
 এই সজল ধারার বোরিং বুজিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ