Bartaman Logo
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রাস উৎসবে চতুর্ভুজ মহাদেবের পুজো হয়ে থাকে প্রাচীন মায়াপুরে

প্রতিমা, পুজোর পরিবেশ, রাস্তাজুড়ে আলপনা ও কার্নিভালে সামাজিক বার্তাবাহী ট্যাবলো-এসবের মাধ্যমে নবদ্বীপে রাসে দর্শনার্থীদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে প্রাচীন মায়াপুরের শ্রীশ্রী শিবপুজো কমিটি

রাস উৎসবে চতুর্ভুজ মহাদেবের পুজো হয়ে থাকে প্রাচীন মায়াপুরে
  • ৩ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: প্রতিমা, পুজোর পরিবেশ, রাস্তাজুড়ে আলপনা ও কার্নিভালে সামাজিক বার্তাবাহী ট্যাবলো-এসবের মাধ্যমে নবদ্বীপে রাসে দর্শনার্থীদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে প্রাচীন মায়াপুরের শ্রীশ্রী শিবপুজো কমিটি। গতবছর নবদ্বীপ পুরসভার তরফে রাস কার্নিভালে সামগ্রিকভাবে তৃতীয় হয়ে রাসশ্রী সম্মান পেয়েছিল তারা। প্রথম থেকে রাসের কার্নিভালে অংশ নিয়ে দর্শকদের বিচারে এখনও অবধি পাঁচবার এই কমিটি পুরস্কৃত হয়েছে। শিবপুজো কমিটির সভাপতি রাম ঘোষ বলেন, এই শিবপুজোর সঙ্গে প্রাচীন মায়াপুর এলাকার বাসিন্দাদের আবেগ জড়িয়ে।

Advertisement

প্রাচীন মায়াপুর মেইন রোডের বাজার লাগোয়া এই শিবপুজো এবার ৩৪বছরে পা দিল। প্রায় ২০ফুট উঁচু শিবমূর্তির পুজো হয়। মহাদেব এখানে চতুর্ভুজ, গায়ে ব্যাঘ্রচর্ম। তাঁর তিনটি হাতে ত্রিশূল, ডমরু ও কমণ্ডলু। অপর হাতে বরাভয় মুদ্রা। ষাঁড়রূপী নন্দী শিবের পদতলে বসে রয়েছেন।
এলাকার বেশ কিছু প্রবীণ মানুষ এই পুজো শুরু করেছিলেন। এখানে একটি বেদীতে শিবলিঙ্গ ছিল। এলাকার লোকজন শিবরাত্রিতে সেই শিবলিঙ্গের মাথায় জল ঢালতেন। সেই বেদীর উপরই এখন শিবপুজো হয়ে আসছে। রাসপূর্ণিমা, শিবরাত্রি ও শ্রাবণ পূর্ণিমায় এখানে শিবের পুজো হয়। রাসপূর্ণিমার দিন প্রথা মেনে ভোগ নিবেদন ও হোমযজ্ঞ হয়। স্থানীয় মহিলারা উপোস থেকে পুজোর সমস্ত আয়োজন করেন।
শিবপুজো কমিটির সম্পাদক সমরজিৎ মণ্ডল বলেন, ৫নভেম্বর বুধবার রাসপুজো। আগামী ৮নভেম্বর পুরসভা পরিচালিত কার্নিভালেও আমরা অংশ নেব। হরিনাম সংকীর্তনের দল সহ নানা বাদ্যযন্ত্র, পরিবেশ ও সামাজিক বার্তা দিয়ে বিভিন্ন ট্যাবলো বের করা হবে।
পুজো কমিটির সদস্যা দীপশিখা মজুমদার বলেন, ছোটবেলা থেকেই এখানে শিবপুজো দেখে আসছি। রাসের সময় অফিস থেকে ছুটি নিয়ে এখানে চলে আসি। সবাই মিলে পুজোর আয়োজন করি। রাত জেগে রাস্তাজুড়ে আলপনাও দিই। পুজো কমিটির সৌভিক, মিতুল, মিতালি, সুনীতা, শুভঙ্কর, কবিতা, জয়িতা, প্রীতম সহ অনেকে একসঙ্গে মিলে আলপনা দিই। এবছর ১৫০মিটার রাস্তাজুড়ে আলপনা দেওয়া হয়েছে। রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা অবধি সবাই মিলে কাজ সম্পূর্ণ করেছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ