শিলং: ইন্দোর থেকে বোরখা পরে গাড়িতে উঠেছিল সোনম। গন্তব্য বারাণসী। সেই ১০০০ কিলোমিটারের যাত্রাপথে একবারেরও জন্যও কোথাও দাঁড়ায়নি গাড়ি। খাওয়া বা শৌচাগারেও যায়নি সোনম। হানিমুন মার্ডার কাণ্ডে পুলিসের কাছে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন সোনমের গাড়ির চালক মোহিত।
মেঘালয়ে হানিমুনে গিয়ে স্বামীকে খুনের ঘটনায় রীতিমতো শিহরিত গোটা দেশে। অভিযুক্ত সোনমকে ইতিমধ্যে হেফাজতে নিয়েছে শিলং পুলিস। চলছে তদন্ত। এক এক করে খোলা হচ্ছে রহস্যের জাল। রাজা রঘুবংশীর পচাগলা দেহ উদ্ধারের পরই সোনমের খোঁজে জোরকদমে তদন্ত শুরু করে পুলিস। রহস্যময়ভাবে গাজিপুরের একটি ধাবায় খোঁজ মেলে সোনমের। কীভাবে গাজিপুরে পৌঁছল সোনম? এবার সামনে এল সেই তথ্য। ইতিমধ্যেই তদন্তের জন্য উত্তরপ্রদেশে রয়েছে শিলং পুলিসের একটি দল। তারাই খোঁজ পেয়েছে সোনমকে গাজিপুরে পৌঁছে দেওয়া গাড়িটির। গাড়ির দুই চালক—পীযূষ ও মোহিতকে তলব করা হয়েছিল। হাজিরা দিয়ে মোহিত জানিয়েছে, গাড়ি ভাড়া করেছিল সোনমের প্রেমিক রাজ কুশওয়া। সোনম যখন গাড়িতে ওঠে, তখন তাঁর পরনে ছিল বোরখা। বারাণসী পর্যন্ত গাড়ি কোথাও থামাতে বারণ করে সোনম। এমনকী খাওয়া বা শৌচাগার ব্যবহারের জন্যও গাড়ি থামায়নি সে। বারাণসী থেকে ৯০ কিলোমিটার আগে গাজিপুরে গাড়ি থামায় সোনম। সেখানেই ধাবাওয়ালার কাছ থেকে ফোন নিয়ে ভাইকে ফোন করে। পরবর্তীতে ঘটনা পরম্পরায় সোনমকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।