সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদকে জানালেও তাদের ভূমিকা নিরাশাজনক। বাধ্য হয়ে ময়নাগুড়ি বাসস্ট্যান্ড ও শপিং কমপ্লেক্সের ছাদ নিজেরাই সংস্কার শুরু করলেন ব্যবসায়ীরা। বালি-পাথর কিনে তাঁরা ছাদ সংস্কার করছেন।
সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদকে জানালেও তাদের ভূমিকা নিরাশাজনক। বাধ্য হয়ে ময়নাগুড়ি বাসস্ট্যান্ড ও শপিং কমপ্লেক্সের ছাদ নিজেরাই সংস্কার শুরু করলেন ব্যবসায়ীরা। বালি-পাথর কিনে তাঁরা ছাদ সংস্কার করছেন।
ময়নাগুড়ির বাস টার্মিনাস ও শপিং কমপ্লেক্সের ছাদ বেহাল রয়েছে। ছাদে সিমেন্টের আস্তরণ উঠে লোহার রড বেরিয়ে এসেছে। বৃষ্টি হলে দোকানে জল ঢুকে পড়ছে। জল পড়ে দোকানের সামগ্রী নষ্ট হচ্ছে। ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ছাদ সংস্কারের জন্য তাঁরা ব্যবসায়ী সমিতিকে জানান। মে মাসে ব্যবসায়ী সমিতি ছাদ সংস্কারের বিষয়টি লিখিতভাবে জেলা পরিষদকে জানান। কিন্তু এখনও পর্যন্ত জেলা পরিষদ ব্যবস্থা না নেওয়ায় ব্যবসায়ীরা ছাদ সংস্কার শুরু করেছেন। পরবর্তীতে তাঁরা স্টলের ভেতরের ছাদ এবং দেওয়াল সংস্কার করবেন বলে জানিয়েছেন।
২০০৫সালের ১২মার্চ ময়নাগুড়ি নতুন বাজারে গড়ে ওঠে বাসস্ট্যান্ড ও শপিং কমপ্লেক্স। অভিযোগ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধুঁকছে শপিং কমপ্লেক্সের ঘরগুলি এবং বাসস্ট্যান্ড। ব্যবসায়ী সঞ্জিত পাল বলেন, আমার কাপড়ের দোকান। দোকানের দেওয়ালের অবস্থা খারাপ। সিলিং ভেঙেছে। বেহাল ছাদ থেকে ঘরে জল পড়ছে। প্রচুর কাপড় নষ্ট হয়েছে। আমি নিজে আমার স্টলের উপরের ছাদ সংস্কার করছি। কী আর করব, জেলা পরিষদকে জানিয়ে তো কোনও লাভ হল না। অপর ব্যবসায়ী নূপুর দত্ত বলেন, আমাদের টার্মিনাসের ছাদ বেহাল পরিস্থিতির ছিল। সংস্কার শুরু হয়েছে। আমরা নিজেরাই বালি পাথর কিনেছি। অপর ব্যবসায়ী শুভময় সরকার বলেন, আমার দোকানের পরিস্থিতিও খারাপ। দোকানের ভিতর প্লাস্টিক লাগিয়ে রাখতে হচ্ছে। জেলা পরিষদকে জানিয়ে যেহেতু লাভ হয়নি, সে কারণেই নিজেরাই সংস্কারের জন্য হাত বাড়ালাম।
নতুন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সিদ্ধার্থ সরকার বলেন, বিল্ডিংয়ের সমস্যা আমরা জেলা পরিষদকে জানিয়েছি। জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায় বর্মন বলেন, জেলা পরিষদে ব্যবসায়ী সমিতি তাদের দাবি রেখেছে। অবশ্যই আলোচনা করে সেটার সংস্কার হবে।
নিজস্ব চিত্র।