বুলন্দশহর: কাজের টোপ দিয়ে চলন্ত গাড়িতে নাবালিকাকে গণধর্ষণ। গাড়ি থেকে ঠেলে ফেলে খুন নির্যাতিতার বান্ধবীকে। যোগীরাজ্যের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে।
বুলন্দশহর: কাজের টোপ দিয়ে চলন্ত গাড়িতে নাবালিকাকে গণধর্ষণ। গাড়ি থেকে ঠেলে ফেলে খুন নির্যাতিতার বান্ধবীকে। যোগীরাজ্যের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে।
পুলিস জানিয়েছে, রাজধানী লখনউতে কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গ্রেটার নয়ডা থেকে এক নাবালিকা ও তার বান্ধবীকে গাড়িতে তোলে তিনজন। এরপর মাঝপথে তারা বিয়ার কেনে। গাড়ির মধ্যে বিয়ার পান নিয়ে আপত্তি তোলে কিশোরী ও তার বান্ধবী। এই নিয়ে তীব্র বচসা শুরু হয়। মিরাটের কাছে চলন্ত গাড়ি থেকে কিশোরীর বান্ধবীকে ঠেলে ফেলে দেয় মদ্যপ যুবকরা। এরপর সকলে নাবালিকার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। গাড়ির মধ্যেই তাকে গণধর্ষণ করে দুষ্কৃতীরা। পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় নির্যাতিতার বান্ধবীর। এই ঘটনায় গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। বুলন্দশহরের এসএসপি দীনেশ কুমার সিং বলেন, অভিযু্ক্ত সন্দীপ এবং অমিতের বাড়ি গ্রেটার নয়ডায়। তৃতীয় অভিযুক্ত গৌরবের গাজিয়াবাদের বাসিন্দা। মঙ্গলবার ওই গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ঘটে। বুলন্দশহর জেলার খুর্জায় তিন মদ্যপ দুষ্কৃতীকে ধোঁকা দিয়ে পালাতে সমর্থ হয় নির্যাতিতা। পুলিসকে ঘটনার কথা জানায় সে। এরপর অভিযুক্তদের গাড়িটিকে ধাওয়া করে পুলিস। তখন পুলিসকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে চালাতে আলিগড়-বুলন্দশহর হাইওয়ে ছেড়ে গাড়িটি পাশের গ্রামে ঢুকে পড়ে তারা। পুলিসের সঙ্গে এনকাউন্টারে পায়ে গুলি লাগে সন্দীপ ও অমিতের। তিনজনকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। তাদের থেকে দু’টি বেআইনি পিস্তল, তাজা কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে।