নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: মহিলা নির্যাতনের মামলায় জেল হয়েছিল এক শিক্ষকের। তিনি মুক্তি পেয়েছেন। তারপর শনিবার স্কুলে যোগ দিতে চান। সে খবর ছড়িয়ে পড়ে। তা জানার পর অভিযুক্ত শিক্ষকের পদত্যাগের দাবি ওঠে। স্কুলে পোস্টার লাগিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেন অভিভাবকরা। গণস্বাক্ষর করে জমা দেন প্রধান শিক্ষকের কাছে। দেগঙ্গার দেউলিয়া জুনিয়র বেসিক স্কুলের এই ঘটনায় তোলপার এলাকা। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক শ্রীজিৎ দে’র দাবি, ভিত্তিহীন অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে তাঁকে। জানা গিয়েছে, দেউলিয়া জুনিয়র স্কুলে দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষকতা করছেন শ্রীজিৎবাবু। কিন্তু শনিবার স্কুলে যোগ দিতে চাওয়ার পর তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হন অভিভাবকরা। এদিন শ্রীজিৎবাবু স্কুলে আসেননি। কৌশিক কাপাসি নামে এক অভিভাবক বলেন, ‘মহিলাঘটিত মামলায় জেল খেটেছেন। উনি স্কুলে সঠিকভাবে ক্লাস নেন না। এই ধরনের শিক্ষককে স্কুলে চাই না।’ উল্টোদিকে শ্রীজিৎবাবু বলেন, ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব করা হচ্ছে। যাঁরা এসব করছেন তাঁরা না বুঝেই করছেন।’ প্রধান শিক্ষক প্রদীপকুমার রায় বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে উনি জেলমুক্ত। সরকারি নিয়ম মেনে স্কুলে যোগ দিতে চাইলে আমি আটকাতে পারি না।’ নিজস্ব চিত্র



