নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ইন্সপেকশনের পরদিনই পোস্টমাস্টারের দেহ উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। ঘটনাটি ঘটেছে ভূপতিনগর থানার জুখিয়ায়। মৃত পোস্ট মাস্টারের নাম কল্যাণ ত্রিপাঠী(৬০)। ২৫নভেম্বর তাঁর অবসর নেওয়ার কথা ছিল। তিনি জুখিয়া সাব পোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টার ছিলেন। জুখিয়া পঞ্চায়েত অফিস বিল্ডিংয়ের নীচে ওই পোস্ট অফিসটি রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে পোস্টমাস্টারের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই অনেক আমানতকারী পোস্ট অফিসের সামনে জড়ো হন। তাঁদের দাবি, টাকা জমা দেওয়া হলেও অ্যাকাউন্টে জমা পড়েনি। টাকা নয়ছয় হয়ে গিয়েছে। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত ডাক বিভাগের ঊর্ধ্বতন অফিসাররা ইন্সপেকশন করেছেন। এখন পোস্টমাস্টারের মৃত্যুতে ওই টাকা ফেরত হবে কীভাবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গ্রাহকরা।
Advertisement
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ বাড়ির লোকজন কল্যাণবাবুকে মুগবেড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা করার পর মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে ময়নাতদন্তের জন্য মেডিক্যাল অফিসার অর্ণব দাস ভূপতিনগর থানার ওসিকে চিঠি দেন। সেইমতো দেহ কাঁথি মহকুমা হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। মৃতের বাড়ি জুখিয়া গ্রামেই। ৩০বছর আগে তিনি পিওন হিসেবে ওই পোস্ট অফিসে জয়েন করেছিলেন। ১৮দিন পর আগামী ২৫নভেম্বর সেখান থেকে তাঁর অবসর নেওয়ার কথা। তার আগে বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। আর এই মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে জুখিয়া বাজার পোস্ট অফিসের সামনে জড়ো হওয়া ওই গ্রাহকরা বলেন, এখানে সেভিংস অ্যাকাউন্ট, টার্ম ডিপোজিট, রেকারিং ডিপোজিট, কিষাণ বিকাশের বিপুল অর্থ নয়ছয় হয়েছে। ওই টাকা জমা না দিয়ে আত্মসাৎ হয়েছে বলে অভিযোগ। এরকম অভিযোগে পেয়ে বুধবার ওই পোস্ট অফিসে ইন্সপেকশন হয়। রাত ৮টা পর্যন্ত সেই ইন্সপেকশন চলে। সেখানে আমানতকারীদের অনেকে জড়ো হয়েছিলেন। তাঁদের কেউ কেউ ওই পোস্টমাস্টারকে উদ্দেশে কটাক্ষ করেছিলেন বলে তাঁর পরিবারের দাবি। তারপর এদিন সকালে অসুস্থ হন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত কল্যাণবাবুর কাকা আদ্যনাথ ত্রিপাঠী বলেন, বুধবার পোস্টাল বিভাগ জুখিয়া বাজার পোস্ট অফিসে একটি ইন্সপেকশন করেছিল বলে জেনেছি। ওই ডাকঘরে আর্থিক অনিয়ম নিয়ে কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে ইন্সপেকশন হয়। সেখানে কয়েকজন আমার ভাইপোকে লক্ষ্য করে বিদ্রুপ করেছিল। তারপর সারারাত ঠিকমতো ঘুমাতে পারেনি। বৃহস্পতিবার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পোস্টাল বিভাগের কাঁথির সুপারিন্টেন্ডেন্ট ভাগ্যধর দাস বলেন, আগামী ২৫নভেম্বর কল্যাণবাবুর অবসর নেওয়ার কথা ছিল। তার আগে বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে দেহ ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। আমানতকারীদের একাংশ আর্থিক তছরুপের যে অভিযোগ করছেন তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। জুখিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা ভগবানপুর-২ব্লক তৃণমূল সভাপতি অম্বিকেশ মান্না বলেন, এদিন সকালে অনেক আমানতকারী পোস্ট অফিসের সামনে জড়ো হয়েছিলেন। পোস্টমাস্টারের মৃত্যুতে টাকাপয়সার কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অনেকেই।
বৃহস্পতিবার সকালে জুখিয়া বাজার পোস্ট অফিসের সামনে জড়ো হওয়া ওই গ্রাহকরা বলেন, এখানে সেভিংস অ্যাকাউন্ট, টার্ম ডিপোজিট, রেকারিং ডিপোজিট, কিষাণ বিকাশের বিপুল অর্থ নয়ছয় হয়েছে। ওই টাকা জমা না দিয়ে আত্মসাৎ হয়েছে বলে অভিযোগ। এরকম অভিযোগে পেয়ে বুধবার ওই পোস্ট অফিসে ইন্সপেকশন হয়। রাত ৮টা পর্যন্ত সেই ইন্সপেকশন চলে। সেখানে আমানতকারীদের অনেকে জড়ো হয়েছিলেন। তাঁদের কেউ কেউ ওই পোস্টমাস্টারকে উদ্দেশে কটাক্ষ করেছিলেন বলে তাঁর পরিবারের দাবি। তারপর এদিন সকালে অসুস্থ হন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত কল্যাণবাবুর কাকা আদ্যনাথ ত্রিপাঠী বলেন, বুধবার পোস্টাল বিভাগ জুখিয়া বাজার পোস্ট অফিসে একটি ইন্সপেকশন করেছিল বলে জেনেছি। ওই ডাকঘরে আর্থিক অনিয়ম নিয়ে কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে ইন্সপেকশন হয়। সেখানে কয়েকজন আমার ভাইপোকে লক্ষ্য করে বিদ্রুপ করেছিল। তারপর সারারাত ঠিকমতো ঘুমাতে পারেনি। বৃহস্পতিবার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পোস্টাল বিভাগের কাঁথির সুপারিন্টেন্ডেন্ট ভাগ্যধর দাস বলেন, আগামী ২৫নভেম্বর কল্যাণবাবুর অবসর নেওয়ার কথা ছিল। তার আগে বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে দেহ ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। আমানতকারীদের একাংশ আর্থিক তছরুপের যে অভিযোগ করছেন তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। জুখিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা ভগবানপুর-২ব্লক তৃণমূল সভাপতি অম্বিকেশ মান্না বলেন, এদিন সকালে অনেক আমানতকারী পোস্ট অফিসের সামনে জড়ো হয়েছিলেন। পোস্টমাস্টারের মৃত্যুতে টাকাপয়সার কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অনেকেই।



