নয়াদিল্লি: ১০ দিন পরই দীপাবলি। উৎসবের মরশুমে শব্দ ও আতশবাজি থেকে ক্রমবর্ধমান দূষণ নিয়ে চিন্তার শেষ নেই প্রশাসনের। রাজধানী দিল্লির বাতাসের গুণগত মান ইতিমধ্যে তলানিতে। এই পরিস্থিতিতে বাজির দূষণ সংক্রান্ত মামলায় শুক্রবার বিশেষ পরামর্শ দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ ও প্রসন্ন বি ভারালের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, দূষণ রোধে প্রতিবছর জারি করা নির্দেশগুলি কার্যত নথিপত্রেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। একের পর এক নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা সামনে আসছে। তাই আম জনতার কাছে দূষণমুক্ত দীপাবলি পালনের বার্তা পৌঁছে দিতে, তাঁদের সচেতন করতে বিরাট কোহলির মতো জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের প্রচারের কাজে সামিল করুন!
এদিন শুনানি চলাকালীন বিচারপতি ভারালে প্রশ্ন করেন, সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে কেন জনপ্রিয় ক্রীড়াবিদ বা সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের কাজে লাগানো হচ্ছে না? একই সুর ছিল বিচারপতি সুন্দরেশের গলাতেও। তিনি বলেন, ‘এই ধরনের সচেতনতামূলক অভিযানের জন্য সমাজের বিশিষ্টদের সঙ্গে কথা বলতে পারে সরকার ও প্রশাসন। দিল্লির ক্ষেত্রেই বিরাট কোহলি বা ওই ধরনের কোনো জনপ্রিয় ক্রিকেটারদের ব্যবহার করা যেতে পারে। তাঁরা আলোর উৎসব নিয়ে বিশেষ বার্তা দিতে পারেন।’
শুনানি চলাকালীন আবেদনকারী গোপাল শঙ্করানারায়ণন অবশ্য আতশবাজি তৈরির উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি জানান। এরপরই সচেতনতার পাশাপাশি দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। বিচারপতিদের কথায়, প্রতিবছর দূষণ নিয়ন্ত্রণে একাধিক নির্দেশ দেওয়া হলেও তা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। দিল্লি সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন, ৩৯টি দূষণ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র ৯টি কেন চালু রয়েছে? দূষণ প্রতিরোধে এযাবৎ কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যও তলব করেছেন দুই বিচারপতি।



