Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক হেনস্তা: কেন্দ্র ও এনডিএ শাসিত ৮ রাজ্যের জবাব চেয়ে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

বাংলাভাষী হলেই বাংলাদেশি! এই সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের হেনস্তার অভিযোগ ইস্যুতে কেন্দ্রের মোদি সরকারের কাছে জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট।

বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক হেনস্তা: কেন্দ্র ও এনডিএ শাসিত ৮ রাজ্যের জবাব চেয়ে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের
  • ১৫ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বাংলাভাষী হলেই বাংলাদেশি! এই সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের হেনস্তার অভিযোগ ইস্যুতে কেন্দ্রের মোদি সরকারের কাছে জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট। উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, দিল্লি, মহারাষ্ট্রের মতো এনডিএ শাসিত আট রাজ্যকে নোটিসও পাঠানো হয়েছে। জানতে চাওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারেরও মতামত। আগামী ২৯ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি। তার মধ্যে জবাব দিতে হবে। বৃহস্পতিবার শুনানির পর্যবেক্ষণে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির মন্তব্য, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরিযায়ী শ্রমিকরা এক রাজ্য থেকে অন্যত্র কাজে যান। ফলে একটা নোডাল এজেন্সি দরকার, যারা সমন্বয় করবে।

Advertisement

বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের উপর হেনস্তার সুরাহা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছে পশ্চিমবঙ্গ পরিযায়ী শ্রমিক কল্যাণ বোর্ড এবং তৃণমূল সাংসদ সামিরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতির জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চে মামলার শুনানি ছিল। আবেদনকারীর পক্ষে আ‌ইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলা এবং বাংলা ভাষায় থাকা নথির কারণে অনেককে হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে। এমনকী আটক করে নির্যাতনও করা হচ্ছে। অবিলম্বে ধরপাকড় বন্ধ করতে হবে।
আদালত অবশ্য সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ বা ধরপাকড়ের উপর কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ভিনদেশি সন্দেহভাজন হলে তাকে তো ধরতেই হবে। গ্রেপ্তার না হোক, ধরতে তো হবেই। নাহলে সে তো পালাতে পারে। একইসঙ্গে তিনি বলেন, নথি বাংলায় লেখা হলে, তা পড়তে সময় লাগতেই পারে। তবে কাউকে অহেতুক হেনস্তা করাটাও ঠিক নয়। প্রাথমিক শুনানিতে বিচারপতির বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, যে রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকরা কাজ করছেন, তাঁদের সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের জানতে চাওয়ার অধিকার রয়েছে। যদিও অতিসক্রিয়তার নামে হেনস্তার অভিযোগ ওঠা ঠিক নয়। আগামী দিনে শুনানিতে বিবাদীদের বক্তব্য শুনেই মামলা এগবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ