নয়াদিল্লি, ২৮ সেপ্টেম্বর: জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ৩ মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। আজ, সোমবার এমনই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এদিন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছে, সকল পক্ষকে চার সপ্তাহের সময়সীমা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যেই প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে হবে। এরপর তিন মাস সময় থাকবে নির্বাচন কমিশনের হাতে। তার মধ্যেই বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করতে হবে। এর ফলে নভেম্বর মাস নাগাদ পুরভোট হলে তার আগে জোড়াফুল স্থায়ী প্রতীক হিসেবে পাওয়া কোনও দলের পক্ষেই সম্ভবপর নয়। ফলে আসন্ন উপ-নির্বাচন এবং পুরভোটে মমতা শিবিরকে ফুটবলার চিহ্নে এবং ঋতব্রত শিবিরকে খাম চিহ্নেই নির্বাচনে লড়াই করতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিবাল। তিনি বলেন, আমরা কমিশনের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছি। অন্যদিকে কমিশনের আইনজীবী জানান, এই ধরণের মামলা সময় সাপেক্ষ। অতীতেও এই ধরণের মামলায় প্রায় ৬-৮ মাস পর্যন্ত সময় লেগেছে। এছাড়া একদম নীচুতলার কর্মীদের বক্তব্যও শোনা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি বহু পিটিশন জমার পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছে। মমতা ও ঋতব্রত শিবিরের দ্বন্দ্বের জেরেই অন্তর্বর্তী নির্দেশে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন। এরপরই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দায়ের করা সেই মামলার শুনানিতে আজ এই রায় দিয়েছে শীর্ষ আদালত।



